গভীর রাতে টালিগঞ্জের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় অতনু দাসকে। গ্রেফতারের পর ধৃতকে নিয়ে আসা হয় ভবানীপুর থানায়, শুক্রবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে। এই ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজন অভিযুক্তর খোঁজ চলছে।
তার আঁচ এসে পড়েছে রাজনীতিতেও। বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার কলকাতার কড়েয়া থানা ও জেলায় জেলায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে কংগ্রেস। হাওড়ায় অভিযোগ দায়ের করেছে সমাজবাদী পার্টিও।
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, লিলুয়াতে একজন সন্ত এসেছিলেন। তিনি তাঁর সন্তের মতোই অনেক দেশপ্রেমের কথা, রাষ্ট্রবাদের কথা, অখণ্ড ভারতের কথা এবং তাঁর ঐতিহ্য় সংস্কৃতি, তাঁর মতো করে তিনি বলেছেন। তিনি কারও ওপর চাপিয়ে দিতে চাননি। আমি কতগুলো লোককে দেখলাম, ভবানীপুরে থানার সামনে ছবি পুড়িয়েছে। আমি এখান থেকে পুলিশের CP-কে বলছি, ওই লোকগুলোকে গ্রেফতার করতে হবে। এই রাজ্য়ে এইসব চলবে না।
পাল্টা এদিন কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আশুতোষ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ' আমরা বলছি যে আমাদেরকে গ্রেফতার করুন। কোনও অসুবিধা নেই। করুন। আপনার পুলিশকে বলুন গ্রেফতার করতে। আমরা গ্রেফতার হতে তৈরি আছি। কিন্তু আমরা কোনওরকমভাবে বাংলা-বাঙালির এবং দুর্গাপুজোর অপমান আমরা বরদাস্ত করব না। তাতে যদি ওঁর খারাপ লাগে, তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। '
এরপরই টালিগঞ্জ এলাকা থেকে বিক্ষোভকাণ্ডে দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অতনু দাসকে গ্রেফতার করা হল।