মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও জানিয়েছেন, এ ছাড়া কৃষকদের খরচের বোঝা কমাতে প্রদেয় প্রিমিয়ামের সিংহভাগ রাজ্য সরকার নিজের বাজেট থেকেই বহন করছে। ১ হেক্টর (২.৫০ একর) পর্যন্ত জমির জন্য কৃষকদের দিতে হচ্ছে মাত্র ১ টাকার প্রতীকী অর্থ। ১ থেকে ২ হেক্টর জমির মালিক কৃষকদের দিতে হচ্ছে একর প্রতি ১০০ টাকা। অবশিষ্ট প্রিমিয়ামের অর্থ রাজ্য সরকার প্রদান করছে। অন্যদিকে, আগস্ট মাসের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দিতে বিমা সংস্থাগুলিকে অবিলম্বে ‘মিড-সিজন অ্যাডভার্সিটি’ মূল্যায়নেক কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে ঋণগ্রহীতা কৃষকদের নথিভুক্ত করার শেষ সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদের কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। ২০১৯-২০ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা প্রকল্পে কৃষকদের নথিভুক্তিকরণের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গের কৃষকেরা দীর্ঘদিন ন্যায্য সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর কৃষকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পুনরায় এই শস্যবিমা সুবিধা চালু করা হয়েছে।”