ওজনের কাগজেও ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া যায়। ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করে চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বুঝেছেন, জিও ট্যাগিং ও জিপিএস ছাড়া ভুয়ো চালান রোখা অসম্ভব।
সীমানা এলাকার পুলিশ ও চেকপোস্টগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বালি ভর্তি প্রতিটি ট্রাকের ই-চালানের সঙ্গে জিপিএস ও জিও ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে বালির উৎসের স্থান মিলিয়ে দেখতে হবে। সঠিক ভিএলটিডি (ভেহিক্যাল লোকেশন ট্র্যাকিং ডিভাইস) ও সঠিক লোকেশন না থাকলে ই-চালান থাকলেও গাড়ি ছাড়বে না পুলিশ।
প্রশাসনের এই কঠোর নির্দেশ আসতেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। বিহারের জামুই থেকে ডানকুনির উদ্দেশে আসা ১০-১২টি বালি বোঝাই ডাম্পারকে জিপিএস ও বৈধ কাগজপত্র না-থাকায় রূপনারায়ণপুর চেকপোস্টে আটকে দেওয়া হয়। অনেক চালকের ই-চালানের সময়সীমাও উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে। ফলে সোমবার সকালে ট্রাকগুলি মিহিজাম ও সীমানা লাগোয়া বিভিন্ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
আটকে থাকা ট্রাকচালকরা দাবি করছেন, রাস্তায় বেরিয়ে পড়া গাড়িগুলির ক্ষেত্রে আপাতত কোনও সমাধানসূত্র বের করে রাজ্য সরকার যাতে তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে। যদিও সীমানা পারাপারে কড়াকড়ির মাধ্যমে ভুয়ো চালান ও পাচার চক্র রুখতে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ডুবুরডি, রুনাকুরাঘাট এবং রূপনারায়ণপুর চেকপোস্টে নজরদারি আরও জোরদার করেছে পুলিশ।