সেপ্টেম্বর মাস শুরু হয়ে গেছে। এমাসে কোন তারিখের মধ্যে ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ?
এ প্রসঙ্গে আগেই উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, "মা অন্নপূর্ণা যোজনার নামে যে স্কিম তৈরি হয়েছে, প্রত্যেক মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহে আপনাদের কারো কাছে যেতে হবে না, ১০ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে প্রত্যেক মাসে আপনাদের অ্যাকাউন্টে টাকা এসে যাবে।"পাশাপাশি তিনি এও বলেছিলেন, "কোনও টেকনিক্যাল সমস্যা থাকলে আপনারা স্থানীয় মহিলা মোর্চার নেতৃত্বর সহযোগিতা নেবেন।"অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা পাওয়ার মাপকাঠিতে যোগ্য হলে কোনও মহিলা বঞ্চিত হবেন না বলে বারবার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।শুধু তা-ই নয়, যোগ্য হওয়ার পরেও কেউ টাকা না পেলে তাঁদের সমস্যার সমাধানের পথও বাতলে দিয়েছিলেন তিনি।গতমাসে ১৭ থেকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনায় কিস্তির টাকা ঢুকেছিল।রাজ্যজুড়ে আলোড়না ফেলেছে অন্নপূর্ণা যোজনা। উৎসাহিত যোগ্য প্রাপক মহিলারা।
এই পরিস্থিতিতে অন্নপূর্ণা যোজনা বাহিনীর কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কী হবে তাদের কাজ ? মহাজাতি সদনের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে তিনি বলেছিলেন, "উত্তর কলকাতার ৬০টি ওয়ার্ডে এই অন্নপূর্ণা যোজনা বাহিনী ...আপনারা নিজেদের মধ্যে একটা গ্রুপ তৈরি করে নেবেন। সংগঠনের মতো। যাতে আগামীদিনে মহিলার অধিকার এবং মহিলাদের ওপর কোনওরকমের অত্যাচার-অবিচার হলে, আপনারা মা-বোনদের পাশে দাঁড়াতে পারেন এবং টুকরে-টুকরে গ্যাং যারা দেশের মধ্যে থেকে দেশকে দুর্বল করতে চায়...আমাদের স্বদেশ-প্রেম-জাতীয়তাবাদে আঘাত করে চায় তাদের বিরুদ্ধে আপনারা মা মাতঙ্গিনী হাজরার মতো অথবা রানি রাসমনির মতো অথবা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মতো আগামীদিনে বীরাঙ্গনার ভূমিকা নেবেন। দেশমাতৃকাকে- রাষ্ট্রকে ভারতীয় সংস্কৃতি-বাঙালি সংস্কৃতি এবং আমাদের যে ঐতিহ্য সেটা রক্ষা করার জন্য।"
তিনি আরও বলেছিলেন, "আপনারা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিনী হিসাবে কাজ করবেন। আমরা নিশ্চিত, এই রাজ্যের একজনও উপযুক্ত মা-বোন-দিদি আমাদের এই কর্মসূচি বা এই প্রতিশ্রুতি থেকে বঞ্চিত হবেন না।"