জানিয়েছেন, এ বার থেকে রামমন্দির থেকে স্থানীয় ব্যাঙ্ক পর্যন্ত দৈনন্দিন প্রণামীর কোটি কোটি টাকা পৌঁছনোর পুরো পর্বটাই ভিডিয়ো রেকর্ডিং করা হবে৷ দৈনন্দিন প্রণামীর টাকা গোনা এবং ব্যাগ সিল করা হবে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে৷ ব্যাঙ্কের যে গাড়িতে টাকা নিয়ে যাওয়া হবে সেখানেও থাকবে ক্যামেরা, যার সংযোগ থাকবে মন্দিরের কন্ট্রোল রুমে৷
মন্দির প্রাঙ্গণের বিভিন্ন অংশে সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে৷ আগে যে ধরনের সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল, সেগুলি বাতিল করে অত্যাধুনিক রেজ়োলিউশনের সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে সর্বত্র, যার ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে ৬ মাস৷ এর আগে মাত্র ৪৫ দিন সংরক্ষণ করা হতো সিসিটিভি ফুটেজ৷ পাশাপাশি মন্দিরের কর্মীদের পোশাক হবে পকেটবিহীন৷ বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের আগে সপরিবার পুলিশি ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে৷
তাত্পর্যপূর্ণ হল, মঙ্গলবার ট্রাস্ট-এর সিইও হিসেবে জিতেন্দ্র কাজ শুরুর দিনেই রামমন্দির পরিদর্শনে গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ৷ রাম লালার পুজোও করেন তিনি৷ সরকারি সূত্রের দাবি, যোগীর সঙ্গে জিতেন্দ্রর একান্ত বৈঠকও হয়েছে৷ আগামী বছরেই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন৷
পরিবর্তন বনাম প্রত্যাবর্তনের এই যুদ্ধে বিরোধী শিবির রামমন্দিরের প্রণামী চুরির ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে৷ ইতিমধ্যেই ইস্যুটিকে ব্যবহার করে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার শুরু করে দিয়েছে কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টি৷ এই পরিস্থিতিতে রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সিইও হিসেবে জিতেন্দ্রর সাফল্যের উপরেই যোগী সরকারের নির্বাচনী সাফল্য অনেকাংশে নির্ভরশীল, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।