'কালীঘাট তৃণমূল'-এর আবেদন ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট



কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিট বিলবোর্ড কাণ্ডে 'কালীঘাট তৃণমূল'-এর আবেদন ফেরাল সর্বোচ্চ আদালত। এই মামলায় হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট। মূলত, হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় 'কালীঘাট তৃণমূল'। যদিও শেষ অবধি এই মামলা হাইকোর্টে ফেরাল দেশের শীর্ষ আদালত। সমস্ত অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ শুনানি করে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টকে পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
ক্যামাকস্ট্রিট কাণ্ডের (Camac Street) পর কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) যখন প্রথমবার কালীঘাট তৃণমূল এই অভিযোগ নিয়ে যায়, সেইসময় কলকাতা হাইকোর্টও হস্তক্ষেপ করেনি। আজকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তরফ থেকেও সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকেও এই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করা হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে, এই মামলা কলকাতা হাইকোর্টের কাছে আবার ফেরৎ পাঠিয়েছে। এবং কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতিরা, তাঁরা এই মামলা এখন খতিয়ে দেখবেন। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বা অনুরোধ করা হয়েছে, এই মামলায় দ্রুত শুনানি করে, নিষ্পত্তি করার জন্য। এবং সমস্ত পক্ষের আইনজীবীদের যা বক্তব্য রয়েছে, সেগুলি তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের কাছে পেশ করবেন। কলকাতা হাইকোর্টের কাছে তাঁরা, যখন প্রথমবার এসেছিলেন, তখন সেই সময় কিন্তু আবেদন ছিল যে, এই যে মামলা রয়েছে, সাইনবোর্ড যেন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সেটা ছিল তাঁদের প্রথম আদেবদন। দ্বিতীয় আবদেন, এই গোটা ঘটনার সময় পুরসভার আধিকারিকরা, এবং তার পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের যে আধিকারিকরা, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম দেওয়া হোক। তাঁদেরকে ব্যক্তিগতভাবে এই মামলায় পার্টি করবেন। এই আবেদন তাঁদের পক্ষে করা হয়েছিল। এবং তাঁদের তরফে তৃতীয় যে আবেদন করা হয়েছিল, সেখানে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে যাতে, এইভাবে তাঁদেরকে না জানিয়ে, কোনও বিল্ডিং বা সাইনবোর্ডে না ভাঙ্গা হয় বা না সরানো হয়, সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশও কলকাতা হাইকোর্টের তরফে দেওয়া হোক। এই তিনটি আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে তাঁরা এসেছিলেন। সেইসময় কলকাতা হাইকোর্টের তরফে কালীঘাট তৃণমূলের এই তিনটি আবেদন খারিজ করা হয়েছিল।বা প্রাথমিক পর্যায়ে কোনওরকমভাবে হস্তক্ষেপ করা হয়নি। তার পর এই অন্তবর্তী নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। এবং আজকেও কালীঘাট তৃণমূলের কার্যত কোনও সুরাহা মিলল না। এবং সুপ্রিম কোর্টের তরফে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে ফেরৎ পাঠানো হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post