সেনাছাউনি থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল, পিস্তল-সহ মোট ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র। সঙ্গে খোয়া গিয়েছিল প্রায় ১৮০০ রাউন্ড গুলি এবং একটি প্যাসিভ নাইট-ভিশন বাইনোকুলার। চাঞ্চল্যকর সেই অস্ত্রচুরির ঘটনায় অবশেষে সাফল্য পেল তেলঙ্গানা পুলিশ। শুক্রবার হায়দরাবাদের একটি জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া অস্ত্রগুলি। ঘটনায় কয়েক জন সেনা আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি গত ৩১ অগস্টের। সকাল ৭টা নাগাদ সেকেন্দরাবাদ সেনাছাউনি থেকে অস্ত্রগুলি চুরি যায় বলে অভিযোগ। চুরি যাওয়া অস্ত্রের তালিকায় ছিল চারটি একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল, সাতটি পিস্তল এবং একটি ইনসাস রাইফেল। এর পাশাপাশি প্রায় ১৮০০ রাউন্ড গুলি এবং একজোড়া প্যাসিভ নাইট-ভিশন বাইনোকুলারও খোয়া যায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে গোলাবারুদ রাখার ঘর পরীক্ষা করতে গিয়ে। ঘরের দরজা খোলা এবং তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান সেনা আধিকারিকেরা। এরপর ভিতরে থাকা অস্ত্র ও গোলাবারুদের হিসাব মিলিয়ে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এর পরেই মলকাজগিরি কমিশনারেটের বোলারাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ২০ মাদ্রাজ রেজিমেন্টের সহায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ময়াঙ্ক গোবিত্রীকর। তদন্তে নামে তেলঙ্গানা পুলিশ। শুক্রবার হায়দরাবাদের একটি জায়গা থেকে উদ্ধার হয় চুরি যাওয়া অস্ত্রশস্ত্র।
এই ঘটনায় কয়েক জন সেনা আধিকারিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলি কী ভাবে সেনাছাউনি থেকে বাইরে গেল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং চুরির পিছনে কোনও বড় চক্র রয়েছে কি না— তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের সম্পূর্ণ তথ্য সামনে আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে তেলঙ্গানা পুলিশ।