বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হলেন আম আদমি পার্টির (আপ) প্রাক্তন নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে তাঁকে নিশানা করতেই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
রাঘবের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরপরই তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে এমন আচরণ করা হচ্ছে। তাঁর কটাক্ষ, ‘‘ওঁরা হিংসায় জ্বলছে।’’
রাঘবের এই অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম থাকা বা বাদ যাওয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার অধীন। কোনও ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে যাচাই ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা।
প্রসঙ্গত, রাঘব চাড্ডা দীর্ঘদিন আপের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিজেপিতে যোগদান জাতীয় রাজনীতিতে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করেছে। দলবদলের পরেই ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।
তবে তাঁর নাম ঠিক কী কারণে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য কী, তা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগটির পূর্ণাঙ্গ কারণ জানা যাচ্ছে না। ফলে রাঘবের বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক চললেও, প্রশাসনিকভাবে নাম বাদ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ সামনে আসাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।