এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এবং কলকাতা পুলিশ একটি বৈঠক করে এবং সেই বৈঠকে ৬টি নির্দিষ্ট মামলার বিষয় নিয়ে তাদের আলোচনা হয় যাতে তারা সমন্বয় রেখে কাজ করতে পারে। এরপর ইডি- র তরফে গড়িয়াহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে আছে। সেই অভিযোগে শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস, তাঁর দুই পুত্র, ব্যবসায়ী জয় এস কামদার এবং সোনা পাপ্পুর নামও রয়েছে। প্রিভেশন অফ করাপশন অ্যাক্টে এই অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বেআইনি ভাবে জমি দখল করে মুনাফা অর্জন করার অভিযোগে ইডি- র তরফে মামলা করা হয়। এরপর শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস, জয় এস কামদার, সোনা পাপ্পুকে একে একে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও বেশ কিছু ক্ষেত্রে ইডি- র তদন্তকারী আধিকারিকদের মনে হয়েছে যে সরকারি পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাভবান হয়েছেন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। এই বিষয়েই ইডি লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে গড়িয়াহাট থানায়। তার ভিত্তিতে এফআইআর- ও দায়ের হয়েছে। এর সূত্রে আগামী দিনে জেলে গিয়ে শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে জেরা করতে পারে ইডি, এমনটাই শোনা গিয়েছে।
গত ১৪ মে গ্রেফতার হন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ৫ বার নোটিস পাঠানোর পর হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। সেদিন দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তারপর গ্রেফতার করা হয়।