এবার সরকারি পেট ক্লিনিক ও হাসপাতালে মিলবে সস্তায় ওষুধ। গৃহপালিত পশুপাখিদের জন্য ন্যায্যমূল্যের ওষুধ দোকান চালু করছে সরকার। সেখানে সস্তায় ওষুধ, ভ্যাকসিন পাবেন পশুপালকরা। কেন্দ্রীয় সরকারের লাইভস্টক হেলথ অ্যান্ড ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম প্রকল্পের আওতায় পশু ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্র (পিএভিকে) খুলতে চলেছে রাজ্য প্রাণীসম্পদ দপ্তর। সম্প্রতি এনিয়ে দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৩৭৫টি পশু ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্র খোলা হবে। একটি রাজ্যস্তরে থাকবে। ৩০টি জেলাস্তরে। বাকি ৩৪৪টি হবে ব্লকভিত্তিক।
পশুপাখিদের ওষুধ নিয়েও চলে বড় একটা চক্র। ওষুধ কোম্পানির সঙ্গে এই চক্রে প্রাণী চিকিৎসকরাও জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ। সরকারি ক্লিনিকগুলিতে গেলে জেনেরিক ওষুধের বদলে নামি ব্র্যান্ডের ওষুধ লেখেন অধিকাংশ চিকিৎসকরা। অধিক মূল্য দিয়ে সেই ওষুধ বাইরে দোকান থেকে কিনতে হয় পশুপালকদের। অভিযোগ, এই ওষুধ বিক্রি থেকে একটা মোটা টাকার কমিশন পৌঁছে যায় এই চিকিৎসকদের পকেটে। ন্যায্যমূল্যের এই ওষুধের দোকান চালু হলে এই দুর্নীতি বন্ধ হবে। পশুপালকরাও উপকৃত হবেন।
দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, পশু ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্র চালু হলে বাইরে থেকে আর ওষুধ কিনতে হবে না পশুপালকদের। এখানে অনেক কম দামে ওষুধ মিলবে। যেহেতু ব্লক স্তরেও এই দোকান খোলা হচ্ছে। ফলে একদম প্রান্তিক এলাকার গরিব পশুপালকরাও উপকৃত হবেন। এখানে কুকুর, বিড়ালদের ভ্যাকসিনও সস্তায় মিলবে। পোষ্যপ্রেমীরা জানান, সরকারি ক্লিনিকে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলের ওষুধ পেলেও কুকুর বিড়ালদের ওষুধ, ভ্যাকসিন মেলে না। আড়াইশো টাকার দামে র্যাবিশ ভ্যাকসিন অধিক মূল্য দিয়ে কিনতে হয় বাইরে থেকে। সরকারি এই ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান চালু হলে উপকৃত হবে পোষ্যরাও।