সিউড়ি: তাঁর উপরে হামলার পরে ঘোষণা করা হয়েছিল, গত ৯ অক্টোবর ফের সিউড়ির তৃণমূল কার্যালয়ে আসবেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু শুক্রবার আসেননি তিনি। কেষ্টকে সিউড়ির অফিসে দেখা গেল পরের দিন অর্থাৎ শনিবার। সে দিন হামলা-ভাঙচুরের ঘটনার পরে এই প্রথম। তবে পাঁচ মিনিটের বেশি থাকেননি। এমনকী, দোতলাতেও ওঠেননি তিনি। কর্মীদের কাছে খোঁজ নেন, সে দিন যে ভাঙচুর হয়েছিল, সেই জায়গাগুলি মেরামত করানো হয়েছে কি না। কয়েক জন দলীয় কর্মীকে উপহার দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও অনুব্রতকে কলার ধরে হুমকির ঘটনায় তিনি কোনও অভিযোগ দায়ের না করায় ধৃত তিন জনকে ছেড়ে দেয় সিউড়ি থানার পুলিশ। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধীরা দাবি করেছে, ঘটনাটি সাজানো। এ দিন সংবাদমাধ্যমের তরফেও প্রশ্ন ছিল 'আপনার উপরে হামলাটা নাকি সাজানো?' শুনেই রেগে উঠলেন কেষ্ট। বললেন, 'আমি কখনও কারও বিরুদ্ধে মামলা করি না। তাই করিনি।'
সে দিন হামলার পরে বোলপুরে তৃণমূলের কার্যালয়ে অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁর পাশে দাঁড়ান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, চন্দ্রনাথ সিংহের মতো দলের শীর্ষ নেতারা। সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত জানিয়েছিলেন, মহালয়ার আগের দিন অনুব্রত ফের সিউড়িতে দলীয় কার্যালয়ে যাবেন। সে দিন না-গেলেও পরের দিন, অর্থাৎ শনিবার কার্যালয়ে গেলেন কেষ্ট।