সপ্তমীতে মর্মান্তিক বিপর্যয়ের পর চোরবাগান সর্বজনীনের (Chorbagan Sarbojanin) দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। সিটের প্রধান তথা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী জানিয়ে দেন, প্রতিমা নিরঞ্জনে আপত্তি নেই। এরপরই শনিবার নিরঞ্জনের পথে দুর্গা প্রতিমা। তবে এবার বরণ, সিঁদুর খেলা ছাড়াই নিরঞ্জন হবে। বাসিন্দারা জানান, “এবার বরণ হল না। পুজোয় কোনও দোষ ত্রুটি থেকে গেল কি না জানতে পারলাম না। মা ক্ষমা করে দিও।”
শনিবার দুপুরে চোরবাগানের সেই অভিশপ্ত প্যান্ডেল থেকে প্রতিমা বের করা হয়। প্রতিমা নিরঞ্জনের কাজের জন্য ৪০ জন কুলিকে আনা হয়। তাঁরাই মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করেন। মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষত রেখেই দুপুর ২টো নাগাদ বের করা হয় প্রতিমা। এরপর কিছুক্ষণ সেন্ট্রাল এভিনিউয়ে রাখা হয় দুর্গা প্রতিমা। সেখানে ভিড় করেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা জানান, সপ্তমীর সন্ধ্যায় হঠাৎ বৃষ্টি নেমে যাওয়ায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এবার বরণও হল না। সিঁদুর খেলাও হল না। পুজোয় কোনও দোষ ত্রুটি থাকল কি না তা-ও বুঝতে পারছেন না বাসিন্দারা। তাই সবকিছুর জন্য মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন তাঁরা।
দশমী পেরিয়ে গেলেও এই বিতর্কিত মণ্ডপের প্রতিমা নিরঞ্জন নিয়ে ছিল ধোঁয়াশা। বৃহস্পতিবার মণ্ডপ সরেজমিনে খতিয়ে দেখে সিটের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী বলেন, প্রতিমা নিরঞ্জনে আপত্তি নেই। তবে তদন্তের স্বার্থে মণ্ডপ রাখতে হবে হুবহু একই। সেই নির্দেশ মেনেই শনিবার চোরবাগানের প্রতিমা নিরঞ্জনের সিদ্ধান্ত নেয় পুজো কমিটি। তবে মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষুন্ন রেখেই বের করা হয়ে প্রতিমা।