মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা। মোদীর দাবি, আসলে দেশের উন্নতি ওদের পছন্দ হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি যুবক-যুবতী ভারতকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছেন। কিন্তু কিছু মানুষ দেশকে সঙ্কটের মধ্যে দেখতে চান।’
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে সার ও রান্নার গ্যাসে ঘাটতি থাকলেও দাম বাড়েনি বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী। আমেরিকা-ইরান সংঘাত থামলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। শান্ত হয়নি হরমুজ় প্রণালীও। ফলে গ্যাস ও সার সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। মোদীর দাবি, ‘এই পরিস্থিতিতে স্যার ও গ্যাসের ঘাটতি নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে বিরোধীরা।’ তাঁর সাফ কথা, ‘দেশ সঙ্কটে পড়লে ওরা উল্লাস করে।’
আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাস ও সারের দাম বেড়েছে। তবে ভারত তা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলেই দাবি মোদীর। কৃষকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা দাম বাড়তে দিইনি, নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। কৃষকদের স্বার্থরক্ষাই আমাদের অগ্রাধিকার।’ এর জন্য ১৬ লক্ষ কোটি টাকা বাড়তি খরচ হয়েছে বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। পিএম কিষাণ প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তির টাকা ইতিমধ্যেই দেশের কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর কথায়, ‘কৃষকরাই দেশের অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ।’