ছদ্মবেশে বাজি ধরবে পুলিশ, বার্তা লালবাজারের


শহরজুড়ে নিষিদ্ধ বাজি ও শব্দদূষণ রুখতে কড়া পদক্ষেপের পথে লালবাজার। শুধু বড় রাস্তা বা রাজপথ নয়, শব্দকে জব্দ করতে কলকাতার অলিতে-গলিতে ছদ্মবেশে নজরদারি চালাবেন কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। সরু গলিগুলোতে এই বিশেষ অভিযানের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে অটো ব্যবহার করা হবে বলে ঠিক হয়েছে।
লালবাজার সূত্রে খবর, উৎসবের মরশুমে প্রতি বছরই আবাসন থেকে শব্দবাজি ফাটানোর বহু অভিযোগ জমা পড়ে। এই অনিয়ম ঠেকাতে আবাসনের দিকে কড়া নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লালবাজারের স্পষ্ট বার্তা—আবাসনেও যদি কেউ নিয়ম ভেঙে শব্দবাজি ব্যবহার করেন, তবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাশাপাশি, নিষিদ্ধ বাজির উৎপাদন, মজুত, পরিবহণ ও বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করতে বুধবার আলিপুরের পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, বিদ্যুৎ দপ্তর এবং বাজি বাজার কমিটিগুলির সঙ্গেও একটি উচ্চপর্যায়ে বৈঠকে বসেছিল লালবাজার। ওই বৈঠক থেকে উৎসবের মরশুমে বাজি ব্যবসায়ীদের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মানার কথা বলা হয়েছে।

শহরের চারটি অনুমোদিত বাজি বাজার—শহিদ মিনার, কালিকাপুর, বেহালা ও টালা পার্ক কমিটিকে বিক্রির জন্য নির্ধারিত সবুজ বাজির নমুনা ২৯ অক্টোবরের মধ্যে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, নিয়ম মেনে দোকান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেখানে শুধুমাত্র সবুজ বাজি বিক্রি করা যাবে। অবশ্যই মানতে হবে অগ্নিবিধি।
কাল, শুক্রবার টালা পার্কের মাঠে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এবং ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে বাজি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সেখানে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভস সেফটি অর্গানাইজেশন এবং দমকলের আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকবেন। মূলত যে বাজি পরীক্ষায় পাশ করবে সেগুলিই বাজারে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post