বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'মৃতদের পরিবারের মধ্যে কোনও একজন যদি সরকারি চাকরি নিতে চান, তাঁকে সরাসরি চতুর্থ শ্রেণির কর্মিপদে নিয়োগ করা হবে। স্থায়ী কর্মী হিসেবেই নিযুক্ত হবেন তাঁরা।' শুভেন্দু জানান, জেলার ক্ষেত্রে জেলাশাসকরা নিয়োগকর্তা হবেন আর কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা কর্পোরেশন তাঁদের নিয়োগ করবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'শুধুমাত্র বিহারের দু'জন মৃতের পরিজনকে আমরা নিয়োগপত্র দিতে পারব না, যেহেতু তাঁরা আমাদের রাজ্যের বাসিন্দা নন। তবে ক্ষতিপূরণের ২৫ লক্ষ টাকার চেক আমাদের মন্ত্রী উমেশ রাই গিয়ে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেবেন।'
অন্য দিকে, চোরবাগানে দুর্ঘটনার ঠিক আগে মণ্ডপ ভেঙে পড়ার পরিস্থিতি মাইকে জানান একজন ঘোষকই। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথম সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানে ঘোষণার মাইক্রোফোন ছিল ধৃত কুশল মজুমদার ওরফে কালিয়ার হাতে। দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে তিনিই মাইকে দর্শনার্থীদের বেরিয়ে যেতে বলেছিলেন।
গত শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয় কালিয়াকে। গ্রেপ্তারির দিনই তাঁর ফেসবুক থেকে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। সেখানে কালিয়া দাবি করেন, পুলিশের এক আধিকারিকের নির্দেশেই তিনি সম্ভাব্য বিপদের কথা জানিয়ে দর্শনার্থীদের মণ্ডপ থেকে সরে যেতে বলেছিলেন। কোন পরিস্থিতিতে তিনি ওই ঘোষণা করেন, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যাও তিনি পুলিশকে দিয়েছেন বলে খবর।