এদিকে, চলতি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে ছাড়া বাঘিনি অসমের রায়মনা জাতীয় উদ্যানের জঙ্গলে চলে গিয়েছে। বনদপ্তর সূত্রে খবর, বিহারের বাল্মিকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে এই বাঘিনিটিকে নিয়ে আসা হয়েছিল বক্সায়। পুনরায় বক্সায় বাঘ ফেরানোর প্রকল্পের অংশ হিসেবেই তাকে ছাড়া হয়। ছাড়ার পর প্রথম কয়েকদিন বক্সার জঙ্গলেই ঘোরাফেরা করছিল। তারপর ট্র্যাকিং ডিভাইসের মাধ্যমে দেখা যায়, ধীরে ধীরে সে অসম সীমান্তের দিকে এগোচ্ছে। বর্তমানে বাঘিনিটি রায়মনার গভীর জঙ্গলে রয়েছে। সুস্থও রয়েছে। রাজ্যের বনমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অসমের বনদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বক্সা ও রায়মনা একই ল্যান্ডস্কেপের অংশ, বাঘের চলাচল স্বাভাবিক বলেই মত বনকর্তাদের। তবে বাঘিনিটি যাতে ফের বক্সায় ফিরে আসে, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেই খবর।
ইকো পার্কের ৬ নম্বর গেটের কাছে প্রায় সাড়ে ১২ একর জমির উপর মিনি জু তৈরি করা হয়। এই মিনি জু-তে হরিণ, জিরাফ, শিম্পাজি-সহ নানা ধরনের প্রাণী রয়েছে। ওই মিনি জু-তেই এবার বাঘের জন্য বিশেষ এনক্লোজার তৈরি করা হয়েছে। এনক্লোজারের ৭০ শতাংশের বেশি অংশ খোলা রাখা হয়েছে। বিশ্রামের জন্য একটি গুহাও তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া বাঘের ঘোরাফেরার জায়গা রয়েছে। কাচের দেওয়াল ও লোহার বেড়াতে ঘেরা জায়গা থেকে বাঘ দেখতে পারবেন দর্শকরা। তার উপরের দিকে বিদ্যুৎচালিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে হরিণালয়ে বাঘ আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।