এই প্রথম বারাসতে কালীপুজোর উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী, আসতে পারেন রাজ্যপালও



বারাসতের কালীপুজোর ইতিহাসে এই প্রথম কোনও পুজোর উদ্বোধনে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী বৃহস্পতিবার শিমুলতলার শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রের পুজোর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যও। পরদিন শুক্রবার এই পুজোয় বাংলার রাজ্যপাল আরএন রবিরও আসারও সম্ভাবনা রয়েছে। পুজোর সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে এমন ভিভিআইপি সমাগম ঘিরে বাড়তি প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে পুজোর প্রচার। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের আকর্ষণে টাকি রোডের দু’পাশে প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার জুড়ে থাকছে চন্দননগরের চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা। মণ্ডপ ও প্রতিমায় থাকছে শিল্পী ভবতোষ সুতারের ভাবনা। তাঁর থিম ‘অতল অণন্তম’। জল, শব্দ ও দৃশ্যের মেলবন্ধনে প্রায় ১৫টি মোটরের সাহায্যে জলপ্রবাহ এবং বিশেষ প্রক্ষেপণে ফুটিয়ে তোলা হবে শিবের নাচ।
বারাসতে বড় মাপের একাধিক কালীপুজো হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ মণ্ডপ ও প্রতিমা দর্শনে হাজির হন। বারাসত এলাকার নিরাপত্তা ও নজরদারিও আঁটসাঁট রাখা হয় প্রতিবছর। তবে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী পুজো উদ্বোধনে আসেননি। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য ২০১৯ সালে তরুছায়া ক্লাবের পুজোয় এসেছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একই অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতিও বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে পুজো কমিটি। পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক সুবীর শীল বলেন, “বারাসতের কালীপুজোর সঙ্গে বহু মানুষের জীবিকা জড়িয়ে। আগের সরকারগুলির সদিচ্ছার অভাব ছিল। বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে বলেই মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি আসছেন। এতে বারাসতের কালীপুজো নতুন উদ্দীপনা পাবে।”

Post a Comment

Previous Post Next Post