বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও গতকাল রাতে কালিম্পঙের ভাসুয়ায় ধস নামে। সিকিম থেকে কালিম্পং হয়ে শিলিগুড়ি যাওয়ার ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। লাভা দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি। পর্যটকরাও পড়েছেন অসুবিধেয়। কয়েকদিন আগেও একই রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়েছিল কালিম্পং। মাস খানেক আগেই ভাসুয়ার প্রবল বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ে একটি নির্মীয়মান সেবক-রাংপো রেল প্রকল্পের একটি অংশ । রেল প্রকল্পের ঘটেছে ৭ নম্বর টানেলের কাছে, যেখানে হঠাৎ ভূমিধসের ভেঙে পড়ে একটি প্রাচীর। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে প্রচুর পরিমাণে মাটি এবং পাথর ভেঙে পড়ে। সত্যি সত্যিই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে এই নির্মাণ। কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ের চারপাশের মাটি আলগা হয়ে যায়। এতে কেউ হতাহত হননি। আহতও হননি। সৌভাগ্যবশত এবারও ধসে হতাহতর খবর মেলেনি।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, উত্তরবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে।