বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সমেত বনভূমি রক্ষণাবেক্ষণ আইন অনুযায়ী, শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি জঙ্গলে খোয়াই হাট বসতেই পারে না- এই মর্মে মে মাসে জাতীয় পরিবেশ আদালতে মামলা করেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। তার প্রেক্ষিতে আদালত বন দপ্তর-সহ রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কাছে হলফনামা চেয়েছিল। ১৫ সেপ্টেম্বর দুই দপ্তর থেকেই হলফনামা জমা পড়ে আদালতে। তাতে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্যদ কার্যত স্বীকার করে, জঙ্গলের মধ্যে প্লাস্টিক, আবর্জনা পড়ে থাকে। জঙ্গলেই গাড়ি ও মোটরবাইক পার্ক করা হয়, হোটেল-রিসর্ট থেকে অপরিশোধিত বর্জ্য পদার্থ জঙ্গলেই ফেলা হয়। হোটেল-রিসর্টগুলির কাছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কোনও ছাড়পত্র নেই।
জাতীয় পরিবেশ আদালতে হলফনামা দিয়ে বন দপ্তর জানিয়েছিল, একটি হাট বসে জঙ্গলে কিছু গাছ নষ্ট হয়েছে, জঙ্গলে পার্কিং হয় প্রভৃতি। তবে বন দপ্তর জাতীয় পরিবেশ আদালতে জানাতে পারেনি, সরকারের কোন দপ্তরের নির্দেশে বা অনুমতিতে শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি জঙ্গলে খোয়াই হাট বসে। এর পরেই পরিবেশ কর্মী সুভাষ ফের আদালতে একটি হলফনামা দিয়ে এই প্রশ্ন তোলেন। চার সপ্তাহের মধ্যে বন দপ্তরকে হলফনামা দিয়ে জাতীয় পরিবেশ আদালতকে তার উত্তর দিতে হবে। এই হলফনামা পেতেই ২০২৬-এর ২০ জানুয়ারি এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন বিচাপতি অরুণ কুমার ত্যাগী।