আর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল এমন একটা সময়ে, যখন ভারতে টেস্ট সিরিজ খেলতে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। যে সিরিজের প্রথম টেস্ট কলকাতায়। শুক্রবার শুরু হবে ম্যাচ। মঙ্গলবার থেকে ইডেনে প্র্যাক্টিসে নেমে পড়ার কথা শুভমন গিল, তেম্বা বাভুমাদের।
দিল্লির বিস্ফোরণের কোনও রেশ কি পড়বে কলকাতায়? দিল্লির ঘটনার জেরে কি ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে খবর, সিরিজ নিয়ে এখনই কোনও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়নি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতীয় দলের নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হবে বলেই খবর।
সোমবারই ইডেন গার্ডেন্সে পুলিশের সঙ্গে এক দফা বৈঠক ছিল সিএবি কর্তাদের। মঙ্গলবার কলকাতার পুলিশ কমিশনারের মাঠ পর্যবেক্ষণ করতে আসার কথা। তবে সোমবার রাতের পর থেকে যে নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি তৎপরতা দেখানো হবে, বলাই বাহুল্য।
সিএবি সচিব বাবলু কোলে বললেন, 'পুলিশের তরফ থেকে আমাদের এখনও কিছু জানানো হয়নি। নিশ্চয়ই নিরাপত্তা জোরদার করা নিয়ে কিছু পদক্ষেপ করা হবে। দিল্লির ঘটনা রাতে হয়েছে। পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে এখনও হাই অ্যালার্ট বা সেরকম কিছুর কথা আমাদের বলা হয়নি। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপোস করা হবে না। সেটা নিশ্চয়ই দেখবে পুলিশ। নিরাপত্তার খুঁটিনাটি নিয়ে ওরা হয়তো প্রকাশ্যে কিছু বলবে না।'
পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা আর তার প্রত্যুত্তরে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল আইপিএল। এমনকী, ধর্মশালায় পঞ্জাব কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামের আলো নিভিয়ে মাঠ খালি করা হয়েছিল। দেশের তো বটেই, সমস্ত বিদেশি ক্রিকেটারদের নিরাপদে বাড়ি পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। পরে অবশ্য আইপিএল শুরু হয়। নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে নির্দিষ্ট মাঠে ম্যাচ দিয়ে শেষ করা হয় টুর্নামেন্ট।
দিল্লি বিস্ফোরণের পর ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইডেনকেও নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হবে বলেই ইঙ্গিত।