সোমবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যন্তর মন্তরকে আর প্রতিবাদস্থল হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। সেই সিদ্ধান্ত একেবারেই পছন্দ হয়নি ককরোচ জনতা পার্টির। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে হুঙ্কার দিয়েছেন, গোটা দেশকেই যন্তর মন্তর করে তুলবেন। কিন্তু দিল্লি পুলিশের নির্দেশিকা জারির পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। কিন্তু আবারও তাঁদের আটক করেছে পুলিশ।
সোমবারই ককরোচ জনতা পার্টির তরফ থেকে দিল্লি পুলিশকে আলটিমেটাম বেঁধে দেওয়া হয়। জানানো হয়, ২৪ ঘন্টার মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানিয়ে দিতে হবে। তা না হলে বড়সড় পদক্ষেপ করা হবে। পালটা দিল্লি পুলিশের ঘোষণা, যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। তিনটি বিকল্পের ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। তারমধ্যে সবচেয়ে পরিচিত স্থান রামলালা ময়দান। কিন্তু সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই ময়দান বুক করতে গেলে ১.২১ লক্ষ টাকা খরচ। চলতি বছরের বুকিং ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে বলেই খবর।