‘ওঁকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছে’, ধর্মীয় বিভাজন বিতর্কে রহমানের হয়ে বড় প্রশ্ন তুললেন বরুণ গ্রোভার


ধর্মীয় বিভাজনের জন্য কাজ হারিয়েছেন গত আট বছরে। এই মন্তব্য করার পর থেকে বিতর্কে এআর রহমান। একের পর এক কটাক্ষ ধেয়ে আসতে থাকে তাঁর দিকে। বিতর্কের মাঝেই রহমান ক্ষমাপ্রার্থী হয়েছেন তাঁর মন্তব্যের জন্য এবং দীর্ঘ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বার বার তাঁর মুখে উঠে এসেছে, ভারতীয় হিসাবে তিনি কতটা গর্বিত। কিন্তু তিনি নাকি বাধ্য হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন। এই দাবি করেছেন কৌতুকশিল্পী বরুণ গ্রোভার।

রহমান একটি ভিডিয়োবার্তার মাধ্যমে বলেছেন, “ভারত আমার অনুপ্রেরণা, আমার শিক্ষক ও আমার ঘর। আমি বুঝি, আমাদের উদ্দেশ্যকে অনেক সময় ভুল বোঝা হয়। কিন্তু সঙ্গীতের মাধ্যমে সম্মান জানানোই সব সময়ে আমার উদ্দেশ্য ছিল।” এই মন্তব্য নাকি চাপে পড়ে তাঁকে করতে হয়েছে। বরুণ এআর রহমানের সমর্থনে একটি পোস্ট করেছেন।

কৌতুকশিল্পী লিখেছেন, “গত তিন দশকের সবচেয়ে সেরা সুরকারকে আক্রমণ করা হল এবং গালাগাল পর্যন্ত করা হল। কারণ, নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি কিছু মতামত দিয়েছিলেন। আর তার ঠিক পরের দিনই তাঁকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হল। মানুষের বিষাক্ত আক্রমণ বন্ধ করতে ওঁকে ব্যাখ্যা দিতে হল।” এই ঘটনাই বুঝিয়ে দিয়েছে, সমাজ সত্যিই কতটা বিভাজনমূলক হয়ে গিয়েছে। দাবি করেছেন বরুণ। এই মন্তব্যের জন্য বরুণকেও কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে।

রহমান একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, মুখের উপর তাঁকে কিছু বলা না হলেও, ধর্মীয় বিভাজনের জন্যই হয়তো কাজ হারিয়েছেন। এর পরে কটাক্ষে জেরবার হলে তিনি বলেন, “আমি ভারতীয় হয়ে নিজেকে ধন্য মনে করি। ভারতীয় বলেই আজ আমি সৃষ্টি করতে এবং ভিন্ন সংস্কৃতিকে স্বাধীন ভাবে উদ্‌যাপন করতে পারি।”

Post a Comment

Previous Post Next Post