২০০২ সালে ৩১ ডিসেম্বর। দু'দশক আগে বর্ষবরণের রাতে খবরের শিরোনামে চলে এসেছিল কলকাতা পুলিসের সাার্জেন্ট বাপি সেনের নাম। তখনও বর্ষবরণের রাতে উদযাপনের এতটা বাড়বাড়ন্ত ছিল না শহরে। তবে পার্কস্ট্রিটের আলোকসজ্জা বলে দিত, নতুন বছর আসছে। ডিউটি করতে নয়, বন্ধুদের সঙ্গে সাধারণ পোশাকেই সেদিন পার্কস্ট্রিটে গিয়েছিল বাপি। হঠাত্ তিনি দেখেন, একজন তরুণীকে উত্যক্ত করছেন কয়েকজন মদ্যপ পুলিসকর্মীরা। ওই তরুণীকে বাঁচাতে এগিয়ে যান বাপি। সহকর্মীদের আচরণের প্রতিবাদ করেন তিনি। যার ফল হয়েছিল মারাত্বক।
অভিযোগ, হিন্দ সিনেমার সামনে বাপিকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করেন অভিযুক্তরা। এরপর ৫ দিনে ধরে হাসপাতালে যমে-মানুষ টানা চলে। কিন্তু শেষপর্যন্ত বাপিকে বাঁচানো যায়নি। ২০০৩-র ৬ জানুয়ারি মৃত্যু হয় ওই সার্জেন্টের।
এদিকে বাপি যখন অভিযুক্তদের বাধা দিচ্ছিল, তখন সঙ্গী যুবকের বাইকে চেপে পালিয়ে সক্ষম হন ওই তরুণী। সেই আক্রোশেই কলকাতা কলকাতা পুলিসের সার্জেন্টকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ওই তরুণী কিন্তু আর কোনওদিনই প্রকাশ্যে আসেননি। ফলে সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল? তা জানা যায়নি আজও। স্বামীর মৃত্যুর পর কলকাতা পুলিশের অস্ত্র আইন বিভাগে চাকরি পান বাপি সেনের স্ত্রী সোমা।