সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে তিনি আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও যান। ইডির তল্লাশি অভিযানকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
আইপ্যাক অফিস থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, আইপ্যাক তৃণমূল কংগ্রেসের একটি অথরাইজড টিম। তাঁর অভিযোগ, ইডি অফিসের সমস্ত টেবিল ফাঁকা করে কাগজপত্র নিয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এর মানে আমার দলের সমস্ত তথ্য ও ভোটের স্ট্র্যাটেজি ট্রান্সফার করা হয়েছে। এটা সরাসরি ক্রাইম। ইডির যদি কোনও নথি দরকার থাকত, তারা আমাদের অ্যাকাউন্ট্যান্টের কাছ থেকে নিতে পারত।”
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ইডি দলের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী নথি বাজেয়াপ্ত করে কার্যত ভোটের রণকৌশল লুট করেছে। তিনি বলেন, “আমরা একটি রেজিস্টার্ড রাজনৈতিক দল। আমরা ইনকাম ট্যাক্স দিই। মানি পাওয়ার, মাসেল পাওয়ার ব্যবহার করে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। সব কাগজপত্র নতুন করে তৈরি করতে গেলে নির্বাচন পেরিয়ে যাবে।”
ইডির ভূমিকা নিয়ে আরও ক্ষোভ উগরে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ভোর ছ’টা থেকে ফাঁকা অফিসে তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং ফরেনসিক টিম এনে ল্যাপটপ থেকে নথি ট্রান্সফার করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “আমি মনে করি অপরাধ করেছে ইডি।”