পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে। 'তরল সোনা'র ঘাটতি ব্যাপক আকার নিচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী নিজে দায়িত্ব নিয়েছেন। আতঙ্কের জেরে অতিরিক্ত গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের প্রবণতা দেখা দিয়েছে। কেউ আবার অভাবের আশঙ্কায় বাড়তি দাম দিয়েই কিনছেন এলপিজি। মুহূর্তের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে কালোবাজারি। আর তা রুখে আমজনতার আতঙ্ক কাটাতে গোড়া থেকে বড়সড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১০ দফা পরামর্শ দিয়ে তৈরি হল এসওপি বা বিশেষ নির্দেশিকা। তাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে গৃহস্থের রান্নাঘর, মিড ডে মিল, হাসপাতালে পরিষেবাকে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হোটেল, রেস্তরাঁয় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহের ক্ষেত্রে রাশ টানা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে একটি নজরদারি কমিটিও। খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন নম্বর। রাজ্যের পক্ষ থেকে এই নম্বরগুলো দেওয়া হয়েছে - হেল্প লাইন নং ১০৭০
ল্যান্ড ফোন নং ০৩৩-২২১৪ ৩৫২৬
মোবাইল নং ৮৬৯৭৯৮১০৭০
বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন তেল সংস্থা ও গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন, সকলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটা নির্দেশিকা তৈরি হবে। অযথা যাতে গ্যাস সংকটের মতো পরিস্থিতি না হয়, সেদিকে কড়া নজর থাকবে সরকারের। সরবরাহকারী সংস্থাগুলিকেও একাধিক অনুরোধ করেছিলেন তিনি। এরপর বৃহস্পতিবারই সেই নির্দেশিকা জারি করা হল। গ্যাস সংকট মেটাতে ১২ জনের নজরদারি কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছে।