এ দিন ভবানীপুরে দক্ষিণ কলকাতার দলীয় কর্মিসভায় শুভেন্দু বলেন, ‘আমি পুর দপ্তরের সচিব এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে চার জনের নাম বলেছি। আপনাদের বলব এই চার জনের নাম? আপনারা শুনতে চান?’ এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একজন হলো বেলেঘাটার রাজু নস্কর, ১৮টি সম্পত্তি রয়েছে। দ্বিতীয় কসবার সোনা পাপ্পু— ২৪টি সম্পত্তি। তিন নম্বর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়— লিপস অ্যান্ড বাউন্ডন্সের ১৪, নিজের নামে ৪, বাবার নামে ৬— মোট ২৪টি সম্পত্তি। চতুর্থ নাম হলো জাভেদ খানের ছেলে— ৯০টি সম্পত্তি। এরা লুটেছে। আগামী দিনে সমস্ত দুর্নীতিগ্রস্তকে আইনি পথে জেলে পাঠানোর কাজ বিজেপি সরকার করবে।’ এ নিয়ে রাজু, সোনা পাপ্পু বা অভিষেক কোনও মন্তব্য করেননি। তবে কলকাতায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক, তাঁর পরিবার ও সংস্থার নামে থাকা সম্পত্তি খতিয়ে দেখছে পুরসভা। সূত্রের খবর, পুর-ইঞ্জিনিয়ার ও সম্পত্তিকর বিভাগের আধিকারিকদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।পুরসভার অ্যাসেসমেন্ট বিভাগ থেকে সম্পত্তির খতিয়ান নিয়ে তা বিল্ডিং বিভাগের অনুমোদিত প্ল্যানের সঙ্গে মেলানো হচ্ছে। কোথাও কোনও বেআইনি নির্মাণ অথবা প্ল্যান-বহির্ভূত রদবদল হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইঞ্জিনিয়াররা পরিদর্শনে যাবেন বলে পুরসভা সূত্রে খবর।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে জাভেদ খানের ছেলে ফৈয়াজ খান বলেন, ‘ওঁকে কেউ ভুল তথ্য দিয়েছেন। আমার সব সম্পত্তির বিস্তারিত হিসেব আয়কর দপ্তরের কাছে আছে। কিছু নিজের অর্থে কেনা, আর বাকিগুলি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া।’