নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হলো প্রায় এক ডজন তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর
নতুন সরকার আস্তে আস্তে স্বরূপে ফিরছে। লাল বাজার থেকে ইতিমধ্যে মমতা ও অভিষেকের নিরাপত্তা অনেকটা কমানো হয়েছে। এবার আরো ১০ জনের। এদিন লালবাজার তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির নিরাপত্তা তুলে নিয়েছে। এছাড়া তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, আইনজীবী সঞ্জয় বসু, তৃণমূলের প্রাক্তন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর, তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি মনোজ মালব্য এবং প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি তথা বর্তমান ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডে। এই ১০ জনের বাড়ির নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে। সাধারণত, কোনও সাংসদ Y ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজীব কুমার তৃণমূলের লোকসভা এবং রাজ্যসভার সাংসদ। সেই মতো তাঁরা নিরাপত্তা পাবেন।
একসময় রাজীব কুমারের জন্য ধরনায় বসেছিলেন সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই রাজীব কুমারেরই হাউস গার্ড তুলে নেওয়া হল। ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডে আগে ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি ছিলেন। ফলে তিনি যে সিকিউরিটি পেতেন, তা ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পদে আবার বদলি হওয়ায় সেই সিকিউরিটি পাবেন না। পূর্বতন সরকারে মন্ত্রী ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। মন্ত্রী থাকায় Y ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন। কিন্তু মন্ত্রী পদ চলে যাওয়ার কারণে আর কোনও নিরাপত্তা পাবেন না। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে জয়ী কুণাল ঘোষ আগে আদালতের নির্দেশে নিরাপত্তা পেতেন। কিন্তু এ বারের বিধানসভা ভোটে জেতার পরে কুণাল ঘোষের সরকারিভাবে বিধায়ক পদের জন্য নিরাপত্তা পাওয়ার কথা। তাই আগের আদালতের নির্দেশে যে নিরাপত্তা তিনি পেতেন, সেটির আর কার্যকারিতা নেই। আগের শাসকদল বাকিদের যে নিরাপত্তা দিত, তাঁদের বেশিরভাগের হাউস সিকিউরিটি দরকার নেই বলেই তুলে নিতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।