বিভিন্ন জেলা হাসপাতালে তো বটেই, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলিতেও ঠিক মতো চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ। চিকিৎসক না থাকার কারণে সমস্যায় পড়তে হয় রোগী এবং রোগীর আত্মীয়দের। এ বার এই পরিস্থিতির বদল হতে চলেছে।
আগেই সরকারি কর্মীদের সময়ে অফিসে আসা এবং যাওয়া নিয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে। এ বার হাসপাতালগুলির পরিষেবা নিয়েও কড়া হচ্ছে স্বাস্থ্য ভবন।
জানা গিয়েছে, কোন হাসপাতালে , কখন কে ডিউটি করছেন তার তালিকা পাঠাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনে। প্রতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে চিকিৎসকদের আগাম এক মাসের রোস্টার পাঠাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু রোস্টার পাঠানো নয়, তাঁদের হাজিরাও নিশ্চিত করা হচ্ছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সকলের জন্য বায়োমেট্রিক অ্যান্টেনডেন্স বাধ্যতামূলক। হাসপাতালে হাজিরায় কারচুপি রুখতেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
এর সঙ্গেই জরুরি বিভাগেও যাতে উন্নত মানের চিকিৎসা পাওয়া যায় না তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। এত দিন জরুরি বিভাগে এক জন মেডিক্যাল অফিসার এবং একজন সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক থাকতেন। তবে এ বার থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদমর্যাদার এক জন চিকিৎসককে থাকতে হবে জরুরি বিভাগে। ২৪ ঘন্টা ডিউটি করতে হবে তাঁকে। পরের দিন তিনি ছুটি পাবেন।
এই নির্দেশ ঠিক মতো পালন করা হচ্ছে কি না তাও দেখবে স্বাস্থ্য ভবন। ঠিক হয়েছে, ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানোর জন্য প্রতিটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একটি ক্যামেরা বসানো হবে। সেটা সরাসরি মনিটরিং করবে স্বাস্থ্য ভবন। ওই ক্যামেরাতে হাত দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে না সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের।
হাসপাতাল গুলির নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এই সঙ্গেই মেডিক্যাল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত করতে টাকার লেনদেন সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ যেন না আসে তা নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।