এ দিনের বৈঠক শেষে শঙ্কর জানান, বর্তমান শিক্ষাকাঠামো পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সব বিধায়করা মিলে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ফিডব্যাক দিয়েছেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী নিলেও, শঙ্করের দাবি, ‘পাঠ্যক্রমে যা কিছু অযৌক্তিক এবং অন্ধকারের অধ্যায়, তা দ্রুত সরিয়ে ফেলা হবে।’ দু’দিন আগেই শিক্ষা সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ দাবি করেছিলেন, স্কুলের পাঠ্যক্রম থেকে সিঙ্গুর আন্দোলনের ইতিহাস বাদ দিতে হবে। এ রকম বেশকিছু অংশ সিলেবাস থেকে মুছে ফেলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে খবর।
দেড় ঘণ্টার এই বৈঠকে মূলত রাজ্যের শিক্ষার হৃতগৌরব ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়। আলোচনার টেবিলে উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘পিএম-শ্রী’ বাংলায় কার্যকর করার বিষয়টিও। এ ছাড়া কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া এবং স্কুল কমিটিগুলোর পুনর্গঠন নিয়েও আধিকারিকদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন দুই বিজেপি বিধায়ক।