শুভেন্দুর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত - কে এই সুব্রত গুপ্ত?



শুভেন্দুর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত - কে এই সুব্রত গুপ্ত?

   পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা সুব্রত গুপ্ত ১৯৯০ ব্যাচের একজন অবসরপ্রাপ্ত IAS। তিনি বাম এবং তৃণমূল, উভয় সরকারের আমলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর কার্যকালে সুব্রত গুপ্ত ২৭টি বিভিন্ন বিভাগের তত্ত্বাবধানের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। অবসরপ্রাপ্ত IAS সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিয়ে আসার ঘোষণা। যাঁকে ছাব্বিশের নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। কার্যত ফ্রন্টে থেকে SIR সামলেছেন বঙ্গে। 

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা সুব্রত গুপ্ত ১৯৯০ ব্যাচের একজন অবসরপ্রাপ্ত IAS। তিনি বাম এবং তৃণমূল, উভয় সরকারের আমলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর কার্যকালে সুব্রত গুপ্ত ২৭টি বিভিন্ন বিভাগের তত্ত্বাবধানের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সুব্রত গুপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারেও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে তিনি খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প মন্ত্রকের সচিব নিযুক্ত হন। সুব্রত গুপ্ত ২০২৫ সালের মে মাসে অবসর নেন। IIT খড়গপুরের প্রাক্তনী তিনি, লন্ডন থেকে MBA ডিগ্রিও অর্জন করেছেন।

  বামফ্রন্ট সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (WBIDC)-র MD হিসেবে তিনি সিঙ্গুরে ন্যানো গাড়ি প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তীকালে সুব্রত গুপ্ত কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের (KMRCL) নেতৃত্বও দেন। ২০১২-১৩ সালে তিনি KMRCL-এর প্রধান ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতা মেট্রো দেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল প্রকল্পের কাজ শুরু করে। হাওড়া ময়দানে যখন এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় তখন সুব্রত গুপ্ত KMRCL-এর MD ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, KMRCL-এর MD থাকাকালীন সুব্রত গুপ্ত তাঁর প্রাপ্য সমর্থন পাননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে সুব্রত গুপ্তকে অবহেলা করার অভিযোগও উঠেছিল। সরকার সুব্রত গুপ্তকে রাজ্য উদ্যানপালন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের মতো কম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে বদলি করে জুনিয়র আধিকারিকদের আরও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নিযুক্ত করেছিল বলেও অভিযোগ। ২০২০ সাল থেকে শুরু করে প্রায় ৩ বছর সুব্রত গুপ্তকে রাজ্য উদ্যানপালন ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো বিভাগে নিযুক্ত রাখা হয়েছিল। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের আমলাতন্ত্রের মধ্যে অসন্তোষ ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল।

Post a Comment

Previous Post Next Post