অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তালিকা তৈরিতে ভরসা SIR লিস্ট



লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের তালিকায় ভূতুড়ে নাম খুঁজতে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনকেই (সার) হাতিয়ার করছে রাজ্য সরকার। এ জন্য জেলাস্তরে ‘মিশন মোড’ বা জরুরি–ভিত্তিক সমীক্ষায় বিএলও–দের কাজে লাগানো হবে। এ ক্ষেত্রে মৃত, নিখোঁজ, ডুপ্লিকেট বা স্থানান্তরিতদের (এএসডিডি) যাচাই করতে বলা হয়েছে ভোটার তালিকা সামনে রেখে। ১ জুন থেকেই রাজ্যের নতুন সরকার ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ চালু করছে। এখন যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তাঁদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না। তবে বর্তমান প্রাকদের তালিকা যাচাই করে নিতে চায় রাজ্য।

২৫ মে–র মধ্যে বর্তমান তালিকা যাচাইয়ের কাজ শেষ করে জেলাশাসকদের রিপোর্ট দিতে বলেছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। এই কাজে নিয়মিত মনিটারিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থসচিব প্রভাত মিশ্র ও স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষকে। সরকারের দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রাপকদের তালিকা যাচাই করতে রেফারেন্স ডেটাসেট হিসেবে ‘সার’ প্রক্রিয়ায় কাদের নাম বাদ পড়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়ে ৫৮ লক্ষ এএসডিডি ডেটা, শুনানির সময়ে আরও ৬ লক্ষ আনম্যাপড তালিকা এবং ভোটার স্লিপ বিলির সময়ে দ্বিতীয়বার যাচাই করা এসডিডি তালিকা দেখা হবে। যাতে অন্নপূর্ণ ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রাপকের তালিকায় একটিও মৃত, ভুয়ো ও বিদেশি অনুপ্রবেশকারীর নাম না থাকে। তবে অ্যাজুডিকেশনের কারণে নাম বাদ পড়ায় যাঁরা ট্রাইব্যুনালে আপিল করেছেন, তাঁদের নাম তালিকায় থাকলে আপত্তি নেই সরকারের।

এই যাচাইয়ের কাজ দ্রুত করার জন্য বিডিওদের নিজ দপ্তরের সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বিএলওদের ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। কারণ তাঁরা প্রতিটি বাড়ির ভোটেরদের চেনেন। এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে নতুন যাঁরা আবেদন করবেন তাঁদের নামও একইভাবে যাচাই করা হবে। এজন্য একটি পোর্টালও নারী ও শিশুকল্যান দ্পত শীঘ্রই চালু করছে। ভোটের পরই রাজ্য সরকারের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে তালিকা যাচাইয়ের কাজে বিএলওদের যুক্ত করা নিয়ে ভোটকর্মী ও বি এল ও ঐক্য মঞ্চ ক্ষুব্ধ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, বিএলওদের শুধু ভোটের কাজই করার কথা।

স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন(সার) শুরু হওয়ার সময় তদের নিয়োগ কপা হয়েছিল। সেই থেকে ভোট সংক্রান্ত একটার পর একটা কাজে তাদের যুক্ত করা হয়েছে। ভোট মেটার পর তাদের ওপর প্রশাসনিক কাজও চাপিয়ে দেওআ হচ্ছে। এখনও তাদের রিলিজ করা হয়নি। তাই তাঁরা আইন মেনে নিজের কাজে ফিরে যেতে পারছেন না। এখনও তাদের পাওনা সব টাকা হাতে পায়নি। তিনি অবিলম্বে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করার দাবি জানান।

Post a Comment

Previous Post Next Post