বয়স ৯৩। এই বয়সে অনেকেই অবসরজীবন কাটান বাড়ির চার দেওয়ালের মধ্যে। কিন্তু ব্যতিক্রম অনিলকুমার। ১৯৫৫ সালে রাজনৈতিক জীবনে পা রাখা এই প্রবীণ এখনও নিয়মিত পঞ্চায়েতে যান। বয়সের ভারকে উপেক্ষা করে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাই তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিক ওঠাপড়ার সাক্ষী অনিলকুমার। সময়ের সঙ্গে বদলেছে রাজ্যের রাজনীতি, বদলেছে পঞ্চায়েতের কাজের ধরনও। কিন্তু তাঁর দৈনন্দিন রুটিনে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। এখনও নিয়ম করে পঞ্চায়েত দফতরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অনিলকুমার শুধু একজন প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী নন, দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখও। বয়স ৯৩ পেরিয়েও তাঁর এই সক্রিয়তা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার। শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও মানুষের সঙ্গে থাকার ইচ্ছাই তাঁকে এখনও কাজের জায়গায় টেনে নিয়ে আসে বলে স্থানীয়দের দাবি।
১৯৫৫ সালে যে রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল, তা এখনও থামেনি। প্রায় সাত দশক ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পরও অনিলকুমারের নিয়মিত পঞ্চায়েতে যাতায়াত যেন প্রমাণ করে—জনজীবনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হলে বয়স সবসময় বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।