‘এবার কলকাতা পুরসভায় সনাতনী মেয়র’, বলছেন পুরভোটের ‘ইনচার্জ’ সুকান্ত মজুমদার


কলকাতা পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যেই কলকাতা পুরভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তাঁর দাবি, আগামী দিনে কলকাতা পুরসভায় ‘সনাতনী’ মেয়র দেখা যেতে পারে।
পুরভোটের প্রস্তুতি ঘিরে বিজেপির সাংগঠনিক তৎপরতা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে সংগঠন মজবুত করা, সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই এবং স্থানীয় স্তরে জনসংযোগ বাড়ানোর মতো বিষয়গুলিতে গুরুত্ব দিচ্ছে দল। সেই আবহেই সুকান্তের এই মন্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মূল সুর, কলকাতা পুরসভায় ক্ষমতার পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিজেপি এবার আরও জোরদার লড়াই করতে চাইছে। ‘সনাতনী মেয়র’-এর মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি দলের ভোট-রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও তুলে ধরেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা পুরসভায় নিজেদের দখল বজায় রেখেছে। ফলে বিজেপির সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে পুর এলাকার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং ভোটারদের আস্থা অর্জন করা। কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্থানীয় সমস্যা, নাগরিক পরিষেবা, রাস্তা-নিকাশি, পানীয় জল ও পুর প্রশাসনের ভূমিকা নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
বিজেপির এই দাবিকে অবশ্য রাজনৈতিক প্রচারের অংশ হিসেবেই দেখছে তৃণমূল শিবির। তাদের বক্তব্য, ভোটের ফলাফলই শেষ কথা বলবে। ফলে সুকান্তের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কলকাতা পুরভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা এবং রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার তীব্র হবে। সুকান্ত মজুমদারের ‘সনাতনী মেয়র’-এর মন্তব্য সেই নির্বাচনী আবহে নতুন মাত্রা যোগ করল। এখন দেখার, এই রাজনৈতিক বার্তা ভোটারদের কতটা প্রভাবিত করতে পারে।

Post a Comment

Previous Post Next Post