এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের (Agnimitra Paul) দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন যে আগের সরকারদের মতো এ সরকার শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি প্রবেশ করতে দেবেন না। 'যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে কয়েক বছর আগে আমিও গিয়েছিলাম আল্ট্রা লেফট ছাত্ররা আক্রমণ করেছিলেন। বারবার তারা ভারতবিরোধী মানসিকতা ছড়ানো, অশান্তি করে ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার পরিবেশ শেষ করার চেষ্টা করছে। আমরা ইউনিভার্সিটিকে অশান্ত করতে চাই না। আমরা চাই পড়াশোনা যেন ঠিকমতো হয়। সমস্ত অসুবিধার সমাধান যাতে করা যায়, সেটা সরকার দেখে নেবে। আমাদের মন্ত্রীরা রয়েছেন তারা দেখে নেবেন। কিন্তু এভাবে কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে আগের সরকারদের মতো রাজনীতি ঢুকিয়ে অশান্ত করতে দেব না।' বলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।
এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন সৃজন ভট্টাচার্যও। যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের দিকেও আঙুল তোলেন তিনি। সৃজন ভিডিও বার্তায় জানান, 'ইঞ্জিনিয়ার ফ্যাকাল্টির কিছু ছাত্র নিজেদের মধ্য়ে সভা করছিল। সেখানে ABVP-র গুণ্ডারা ঢুকে পড়ে। অশান্তি তৈরির চেষ্টা করে। দু পক্ষের মধ্য়ে বচসা হয়। এখানে SFI কোথাও ছিল না। এরপর শুনছি যে বিজেপির গুণ্ডারা ঢুকে পড়ে, তারা গিয়ে ভাঙচুর চালাচ্ছে ক্যাম্পাসের মধ্যে। তার থেকেও হাস্যকর দেখলাম যে যাদবপুরের বিধায়িকা তিনি হঠাৎ চোরের মায়ের বড় গলার মত করে যারা গুণ্ডামি করল, তাদের বাঁচানোর জন্য মিডিয়ার সামনে গিয়ে সুজন চক্রবর্তী ও আমার নামে চিৎকার চেঁচামেচি করছেন। আরে, এত ভয়ের কী আছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়? যদি এত অপছন্দ হয় যাদবপুরকে, ছাত্র ভোট ঘোষণা করুক না, মাঝরাথে গুণ্ডামি করার কী আছে? এগুলো শুধুমাত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে অশান্তি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।'