বামপন্থী সংগঠন এবং ‘ককরোচ’দের বিক্ষোভ-আন্দোলনে পড়ুয়াদের অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কে জড়াল বিজয়ের সরকার। পড়ুয়াদের ওই ধরনের কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। শেষ পর্যন্ত বিতর্কের মুখে সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, পড়ুয়াদের উদ্দেশে জারি করা ওই নির্দেশে বামপন্থী সংগঠন এবং ‘ককরোচ’দের বিক্ষোভে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশটি প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের অভিযোগ, পড়ুয়াদের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয় জোর বিতর্ক। বিরোধীরা সরকারের সমালোচনা করে দাবি করে, পড়ুয়াদের কোন আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত বা উচিত নয়, তা প্রশাসন নির্ধারণ করতে পারে না। পড়ুয়াদের নিজেদের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষ পর্যন্ত আগের নির্দেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় বিজয়ের সরকার। ফলে আপাতত ওই নির্দেশিকা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের অবসান ঘটল। তবে পড়ুয়াদের আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর যে এখনই থামছে না, তা স্পষ্ট।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের সামনে এল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ছাত্রসমাজ এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে পুরনো বিতর্ক। পড়ুয়াদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা কতটা হওয়া উচিত, সেই প্রশ্নও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।