এবার ছাব্বিশের নির্বাচনের ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও লড়াই করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী, একটি কেন্দ্র ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নন্দীগ্রামের মাটিতে পা রেখেই তিনি বলেছিলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি আমাকে ছাড়তে হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু আমি নন্দীগ্রামকে বুক দিয়ে আগলে রাখব। এবং তা যে শুধু কথার কথা নয়, এদিন বৈঠকের পরতে পরতে তা বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, “এই সাড়ে তিন মাস বা চার মাসে ৩২টি নতুন রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কার। বেশ কিছু রাস্তার উদ্বোধন বা নতুন রাস্তার ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন হয়েছে।১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে তৈরি হওয়া গ্রামীণ এলাকা নন্দীগ্রামে পরিকাঠামোগত উন্নয়নে একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল।”
এদিন গুরুত্বপূর্ণভাবে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা হলদিয়া-নন্দীগ্রাম ব্রিজের কাজের অগ্রগতির কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “হলদিয়ার সঙ্গে নন্দীগ্রামকে জোড়ার ব্রিজের কাজ এগিয়ে দিয়েছি। ভূমিপূজনেও আসব। ব্রিজের উপর দিয়ে প্রথম গাড়িটা নিয়ে যাব আমি।” এর পাশাপাশি তিনি বলেন, “আজ এখান থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিকশিত ভারত জিরাম-জি জব কার্ড হোল্ডার ১২৫দিনের কাজের সূচনা হল। এই বছরে নন্দীগ্রামে ১১ হাজার ৭০০ নতুন বাড়ি তৈরি করব। প্রথম কিস্তি ৬০ হাজার টাকাও দেওয়ার ব্যবস্থা। এছাড়াও আমরা নন্দীগ্রামের হরিপুর একটি দমকল কেন্দ্রের উদ্বোধন করলাম।” তিনি আরও বলেন, “৬০ বেড বিশিষ্ট রেয়াপাড়া হেলথ সেন্টার। নন্দীগ্রাম জেলা হাসপাতালে নিউ মা মাতৃ বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু হল রোগীদের আত্মীয়দের জন্য। নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে জনৌষধি কেন্দ্র চালু হবে। মা-আহার ক্যান্টিন চালু করা হল।” নন্দীগ্রামে পুলিশ মর্গ তৈরির ঘোষণাও করেন মুখ্যমন্ত্রী।