মেদিনীপুর আদালতের তরফে মিলনকে গ্রেফতারের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা আজ খারিজ হয়ে যায় হাইকোর্টে। অর্থাৎ ২০০৭ সালে খেজুরি থানায় হওয়া ৪৫ নং এফআইআরে মিলনকে গ্রেফতার করার যে সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ এবং মেদিনীপুর আদালতের নির্দেশিকা খারিজ করে দেওয়া হয়। আদালত জানায়, অন্য আরও ছয়টি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্টে এসেছিলেন মিলন। কিন্তু সেই ছয়টি মামলা নিয়ে রাজ্য এবং পুলিশ জানিয়েছিল, ছয়টির মধ্যে পাঁচটি ইতিমধ্যেই প্রত্যাহার হয়ে গিয়েছে। আর নন্দীগ্রাম থানার যে একটি মামলা রয়েছে, তাতে মিলন অভিয়ুক্ত নন। ফলে তাঁকে গ্রেফতার করার প্রয়োজন নেই। সেখানে খেজুরি থানার ৪৫ নং মামলার কোনও উল্লেখই ছিল না।
সেই নিয়ে বিচারপতি ভট্টাচার্য জানান, ২২ সেপ্টেম্বর মামলার বিচারপ্রক্রিয়া সংঘটিত হয় হাইকোর্টে। অথচ রাজ্যের দাবি, ১৯ সেপ্টেম্বরই খেজুরি থানার মামলায় প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করে মেদিনীপুর আদালত। ১৯ সেপ্টেম্বর প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হলে, তার প্রতিলিপি মিলনকে দেওয়া হয়েছে বলে আজ পর্যন্ত কোনও তথ্য নেই পুলিশের কাছে। হাইকোর্টেও তা পেশ করা হয়নি। তাই মিলন খেজুরি থানার মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন। তাঁর সেই আবেদন করল হাইকোর্ট। অর্থাৎ মিলন এখন শুধু পাঁচটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে রয়েছেন। খেজুরি থানার ছ'নম্বর মামলাটির নির্দেশিকা খারিজ হল।
অন্য মামলাতেও জামিনের আবেদন করেছেন মিলন। আজ দুপুরে তা নিয়ে শুনানি হবে।