মাসিক হাতখরচ ২০-২৫ হাজার টাকা! ‘সংগ্রাম’-এর কাহিনি শোনাতেই কটাক্ষ মনোজ-কন্যা রীতিকে


বাবা জনপ্রিয় অভিনেতা, সাংসদও। সেই পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নাম, যশ, অর্থ এবং একাধিক সুযোগ। কিন্তু নিজের শৈশব ও বেড়ে ওঠার জীবনকে কোনও ভাবেই ‘রুপোর চামচ মুখে নিয়ে বড় হওয়া’ বলে মনে করেন না মনোজ তিওয়ারির মেয়ে রীতি তিওয়ারি। বরং ‘বিগ বস্‌ ২০’-এর ঘরে নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তাঁর দাবি, বাবার পদবি ছাড়া তাঁর কাছে আর কিছুই নেই। রীতির সেই মন্তব্য ঘিরেই এখন সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
সম্প্রতি ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরে নিজের পারিবারিক জীবনের কথা বলতে গিয়ে রীতি জানান, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর তিনি বাবার সঙ্গে থাকতেন না। বছরে মাত্র এক বার বাবার সঙ্গে দেখা হত বলেও দাবি করেন তিনি। রীতির কথায়, ১৮ বছর বয়সের পর নিজেই বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।
শুধু তাই নয়, নিজের কেরিয়ার নিয়েও বাবার কাছ থেকে কোনও রকম সাহায্য পাননি বলে দাবি করেছেন রীতি। তাঁর বক্তব্য, নিজের পরিচয় তৈরি করতে তাঁকেই লড়াই করতে হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই নিজের আর্থিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
রীতির দাবি, তাঁর মাসিক হাতখরচ ছিল প্রায় ২০-২৫ হাজার টাকা। ‘সংগ্রাম’-এর কথা বলতে গিয়ে বাবার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং আর্থিক সাহায্য না পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতেই সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, জনপ্রিয় অভিনেতা ও সাংসদের মেয়ে হয়েও রীতির ‘সংগ্রাম’-এর সংজ্ঞা কতটা বাস্তবসম্মত। বিশেষ করে মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা হাতখরচের প্রসঙ্গ সামনে আসার পরই তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে কটাক্ষ। যদিও রীতির বক্তব্যের অন্য দিকও রয়েছে—বাবার পরিচিতি থাকা সত্ত্বেও নিজের কেরিয়ারে তাঁর কোনও প্রত্যক্ষ সহায়তা ছিল না বলেই দাবি করেছেন তিনি।
ফলে ‘বিগ বস্‌ ২০’-এর ঘরে রীতির মন্তব্য এখন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের গল্পে সীমাবদ্ধ নেই। বাবা-মেয়ের সম্পর্ক, তারকা-সন্তানদের সুবিধা এবং ‘সংগ্রাম’-এর সংজ্ঞা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post