অ্যাডমিট না দেওয়ায়, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে না পেরে, বিদ্যালয় এর গেটে অবস্থান বিক্ষোভ ছাত্রীর



*অ্যাডমিট না দেওয়ায়, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে না পেরে, বিদ্যালয় এর গেটে অবস্থান বিক্ষোভ ছাত্রীর*




কেশপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষায় এডমিটের সমস্যার জন্য পরীক্ষায় বসতে না পেরে বিদ্যালয়ের গেটে অবস্থান-বিক্ষোভে বসলেন নূরতাজ খাতুন নামে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের অন্তর্গত কুয়াই উচ্চ বিদ্যালয়ের এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। আর পাঁচটা ছাত্রছাত্রীর মতোই প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা এবং ফরম ফিলাপ করা সব কাজেই সম্পন্ন করলেও অ্যাডমিট পাননি এই পরীক্ষার্থী। আর এডমিন না পাওয়ার কারণেই পরীক্ষা দিতে পারলেন না ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী! যার ফলে বিদ্যালয়ের গেটে বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করলেন তিনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কথা দিয়েছিলেন অ্যাডমিট এর ব্যবস্থা করে দেবে এবং পরীক্ষাও দিতে পারবে, অথচ তিনি এখনও কিছুই ব্যবস্থা করতে পারেননি। তাই পরীক্ষায় বসা পারবে তো তার কাছে অসাধ্য এখন। তবে এই ছাত্রী জানিয়েছেন যদি তিনি আজকে পরীক্ষায় না বুঝতে পারেন তাহলে আত্মহত্যা করবেন। সেই সঙ্গে মানবিক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন যাতে তাকে পরীক্ষায় বসার ব্যবস্থা করে দেয় সরকার। তবে এখনো পর্যন্ত বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষই এসে উপস্থিত হয়নি তার কাছে। এমত অবস্থায় প্রশ্ন উঠে, ছাত্রীটি ফর্ম ফিলাপ করলেও কেন তার এডমিট আসলো না। এসআই অফিস থেকে বিডিও অফিস, ডিআই অফিস থেকে রাজ্যের শিক্ষা ভবন, সর্বোত্তই দরজায় কড়া নেড়েছে এই ছাত্রী ও তার পরিবার, সমস্ত আধিকারিক এর কাছে ঘুরেও কোনভাবেই সে তার পরীক্ষায় বসার এডমিট হাতে পেল না। তাহলে প্রশ্ন উঠেছে, সংশ্লিপ্ত বিদ্যালয় ও শিক্ষা আধিকারিকদের গাফিলতিতেই কি এই ছাত্রী তথা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর এক বছর পরীক্ষা পিছিয়ে যাবে, তার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থাকছেই ? বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাসবিহারী মিদ্যা জানান, ওই মেয়েটি নাকি ফর্ম ফিলাপ করেনি, অথচ অথচ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিজেই কাউন্সিলেট কাছে গেছেন যাতে অ্যাডমিট পাওয়া যায়। যদি ফর্ম ফিলাপ নাই করে, তাহলে কিভাবে কাউন্সিল থেকে স্পেশাল পারমিশন করে এডমিট পাওয়া যাবে, আজব দেওয়াই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের। তিনি কার্যত সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরা দেখে মুখ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, বিদ্যালয়ের সামনে এসে পৌঁছান কেশপুর থানার পুলিশ।

Post a Comment

Previous Post Next Post