রাজ্যে পালাবদলের পর এই সরকারি প্রকল্পের নাম ‘সবুজ সাথী’ থেকে ‘সারথি’ রাখা হল। হাওড়ার এক স্কুলে এদিন এই প্রকল্পে সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য বিশিষ্টরা। সেখানেই প্রাক্তন সরকারকে এই ইস্যুতে আরও একবার বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, “পাঞ্জাব থেকে সাইকেলের যন্ত্রাংশ আনা হত। এখানে এনে সেসব একত্রিকরণ করা হত। প্রাক্তন সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আধিকারিক, তাঁর পরিবারের আত্মীয়রা সেই কাজটি করত। সেই জায়গা থেকে এটাকে বার করে এনেছি।”
বিজেপি সরকারের আমলে আরও ভালো, উন্নতমানের সাইকেল পড়ুয়াদের দেওয়া হবে। সেই বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাহলে কি তৃণমূল জমানার ‘সবুজ সাথী’তে দুর্নীতির প্রসঙ্গও উসকে গেল বক্তব্যে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের কারা এই প্রকল্পে বরাত পেতেন? পাঞ্জাবে কাদের থেকে ওই সাইকেলের যন্ত্রাংশ আসত? অভিষেক বন্দ্যোপাধায়ও জড়িয়ে আছে এই নিশানায়? সেসব প্রশ্ন উঠছে। বাংলাতেই আগামী দিনে আরও উন্নতমানের এই সাইকেল তৈরির ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চ থেকে এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আগামী দিনে আমরা চেষ্টা করব, পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের সাইকেল তৈরির কারখানা যারা তৈরি করবে তাঁদেরকে জমিও দেব, তাঁদের থেকে সাইকেলও কিনব।” এদিন পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে খেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।