পুর দপ্তর সূত্রের খবর, নির্বাচনী কেন্দ্রগুলি পুনর্বিন্যাসের পরে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৯, হাওড়া পুরসভার ৬৮, বালি পুরসভায় ৩৫, হলদিয়ায় ৩০ এবং কালিম্পং ও কার্শিয়াং পুরসভায় ২৫টি করে ওয়ার্ড তৈরি হয়েছে। ধূপগুড়ি পুরসভার আসন সংখ্যা আগের মতো ২০ থাকছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে মোট ৩৮২টি ওয়ার্ডে পুরভোট হওয়ার কথা। আইন অনুযায়ী, ওয়ার্ড সংরক্ষণের তালিকা প্রকাশের পরে আপত্তি জানানো এবং জেলাশাসক স্তরে শুনানি করে নিষ্পত্তির জন্য দু’সপ্তাহ সময় দিতে হবে। তারপরে আরও সাত সপ্তাহ সময় লাগবে ভোট করাতে। তাই পুজোর আগেই প্রশাসনিক স্তরে প্রাথমিক প্রস্তুতি সেরে রাখতে তৎপর নবান্ন। সেক্ষেত্রে পুজোর পরপরই পুরভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ঝাঁপাবে কমিশন। সব ঠিক থাকলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে পুরভোট হবে। মোটামুটি ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরভোট সম্পন্ন করতে হবে বলে সূত্রের দাবি।
কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগম শুধু নয়, রাজ্য সরকার একইসঙ্গে ভোট করাতে চায় আরও পাঁচটি পুরসভার। এই পুরসভাগুলি হলো— বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং। ওয়ার্ড পুনর্গঠনের জেরে ধূপগুড়ি বাদে সব পুরনিগম ও পুরসভার আসন সংখ্যা বেড়েছে। রাজ্য সরকার চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি নাগাদ এই পুরসভাগুলির সংরক্ষিত ওয়ার্ডের তালিকা ঘোষণা করতে পারে। সেখানেই চিহ্নিত করা হবে তফসিলি জাতি-উপজাতি এবং মহিলাদের জন্য পুরসভার কোন কোন ওয়ার্ড সংরক্ষিত হলো। আইন অনুযায়ী, এরপরে দশ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন (এসইসি) ভোট করাতে পারবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য কমিশন ভোট করতে প্রায় ২১ হাজার ইভিএম কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে সংগ্রহ করছে। ভোটের প্রস্তুতির জন্য আগামী মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ছ’টি পুরসভার জেলাশাসকদের নির্বাচন ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত বৈঠক ডেকেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্তা।
পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের ডোমকল–সহ রাজ্যের ১৫টি পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক দিন। তাই দ্বিতীয় দফায় দুর্গাপুর, আসানসোল, শিলিগুড়ি পুরনিগম–সহ এই পুরসভাগুলির ভোট হওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এর জন্য পুরসভাগুলির ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ চলছে।