নির্বাচন কমিশনে জমা পড়েছে বিকল্প নাম, 'ন্যাশনালিস্ট'নাকি 'ডেমোক্র্যাটিক', কোন 'তৃণমূল' হাতে পাবে ঋতব্রত শিবির?


কলকাতা: ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে বিকল্প নাম জমা করেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। ইমেলের মাধ্যমে তারা তাদের ৩ টি পছন্দের নাম জানিয়ে দিয়েছে ঋতব্রত শিবির। ঋতব্রত শিবিরের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে রয়েছে ন্যাশনালিস্ট তৃণমূল কংগ্রেস। অর্থাৎ জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস। দ্বিতীয় নাম হল ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস বা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। আর তৃতীয় নাম হল, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস।
যদিও তৃতীয় এই নাম নিয়ে একটু সমস্যা রয়েছে। কারণ আজকে জুম কলের মাধ্যমে যখন ঋতব্রত শিবিরের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক চলছিল, তখন বলা হয় তৃতীয় এই নামের খুব একটা পক্ষপাতী তারা নয়। এর কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে দলের নাম আগে যখন ছিল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। অর্থাৎ দলের একটা সর্বভারতীয় পরিচিতি ছিল। আর সেখানে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস নাম দিলে, নতুন এই দল একটি প্রাদেশিক দলে পরিণত হবে।

ইতিমধ্যেই এই সব বিকল্পের কথা ভরতের নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিয়েছে ঋতব্রত শিবির। এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশনের যে ফ্রি চিহ্ন, সেখান থেকেও বেশ কিছু প্রতীক বেছে নেওয়া হয়েছে তাঁদের পক্ষ থেকে। সেটাও ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।

এ ছাড়াও গতকাল রাতেই ইমেল মারফত ৩ টি নামের তালিকা ও ফ্রি সিম্বল ইমেলের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনকে। গতকাল যে অন্তর্বর্তীকালীন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন, সেই সিদ্ধান্ত মেনে নাম ও চিহ্ন জমা দিলেও, এই বিষয়টি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধায় একটি কড়া চিঠিও লিখেছেন কমিশনকে। কারণ, তাঁরা মনে করছেন, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসলে গণতান্ত্রিক কোনও সিদ্ধান্ত নয়, জানা গিয়েছে 'কালীঘাট তৃণমূল' শিবিরের পক্ষ থেকে।

ইতিমধ্যেই ঋতব্রত শিবিরের পক্ষ থেকে বিকল্প নামের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখছেন, "রাজনীতি একটি স্থায়ী লড়াই এখানে প্রতি ঘণ্টা, প্রতি মিনিট, প্রতি সেকেন্ডে যুদ্ধ; এমন এক যুদ্ধ, যেখানে স্বার্থ, প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার রোজ বদলে যায়। ভারতের সংবিধানে গণতন্ত্রের শাশ্বত আদর্শ ও মূল্যবোধ দীর্ঘজীবী হোক।"


Post a Comment

Previous Post Next Post