এ দিকে, আসানসোল পুরসভাপ্রবল আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে। বহু ঠিকাদার দীর্ঘদিন ধরে পাওনা পাচ্ছেন না। এই অবস্থায় পুর কর্তৃপক্ষ প্রায় ১৭৫০টি বেসরকারি সংস্থা এবং তিন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নোটিস পাঠিয়ে সাত দিনের মধ্যে বকেয়া কর জমা দিতে বলেছে। না-জমা দিলে পুর পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও নোটিসে বলা হয়েছে। ওই নোটিসের পরে গত কয়েক দিনে কর বাবদ প্রায় তিন কোটি টাকা পুরসভায় জমা পড়েছে বলে শনিবার জানিয়েছেন কমিশনার দিলীপ মিশ্র।
এই পুরসভার মধ্যে রয়েছে আসানসোল রেল ডিভিশনের বিরাট এলাকা, যার অন্যতম রেলের কলোনি। সেই এলাকায় সাফাই-সহ নানা পরিষেবা দেয় পুরসভা। সার্ভিস চার্জ ও কর বাবদ আসানসোল পুরসভার পাওনা দাঁড়িয়েছে ২৭কোটি টাকা। তবে রেলের পাল্টা দাবি, আসানসোলের পুরভবন রয়েছে তাদের এলাকায়। ফলে রেলেরও পুরসভার কাছে কিছু অর্থ পাওনা রয়েছে। এ নিয়ে একাধিক প্রাক্তন মেয়রের সঙ্গে রেল কর্তৃপক্ষের আলোচনা হলেও ইতিবাচক ফল মেলেনি।
সেল-এর পরিচালনাধীন ইস্কোর কাছে ১২ কোটি টাকার বেশি এবং ইসিএল-এর কাছে প্রায় এক কোটি টাকা কর পাওনা পুরসভার। আসানসোল শহরের একাধিক হোটেল, ব্যাঙ্কোয়েট হল, শপিং মলের একাধিক দোকান এবং কারখানাও দীর্ঘদিন কর জমা দেয়নি। তার সংখ্যা ১৭৫০। আসানসোল পুরসভার কমিশনার দিলীপ মিশ্র বলেন, 'খুঁজে দেখা হচ্ছে, আরও কোন সংস্থার কর বাকি রয়েছে কি না। থাকলে তাদের কাছেও নোটিস পাঠানো হবে।'