অনলাইনে আনা খাবারেই ভরসা! পুজোয় গুনতে হবে অতিরিক্ত মাসুল, ঘোষণা জোম্যাটোর



দোরগোড়ায় উৎসব। রাত পোহালেই গণেশ চতুর্থী। বাংলা তথা গোটা দেশ কার্যত পুজো মুডে ঢুকে পড়বে। আর পুজো মানে যেমন হুল্লোড়, তেমনই তার সঙ্গে জুড়ে থাকে পেটপুজোও। আর ঠিক উৎসবের মুখে গ্রাহকদের জন্য বড় ঘোষণা করল ফুড ডেলিভারি সংস্থা জোম্যাটো। শনিবার জোম্যাটোর তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, কোনও গ্রাহক ক্যাশ অন ডেলিভারিতে খাবার অর্ডার করলে তাঁকে গুনতে হবে অতিরিক্ত মাসুল। যদিও সংস্থার তরফে সরাসরি টাকার অঙ্ক জানিয়ে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
তবে গ্রাহকরা অনেকে জানাচ্ছেন, বিলের অঙ্কের উপর নির্ভর করে অতিরিক্ত মাসুল নির্ধারিত হতে পারে। ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে সেই টাকার পরিমাণ। কেউ বলছেন, এই অঙ্ক ৭ টাকা থেকে শুরু। সুইগি সহ অন্যান্য ডেলিভারি অ্যাপগুলি শনিবার পর্যন্ত কোনও মাসুল ধার্য করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, খুব শীঘ্রই ওই সংস্থাগুলিও জোম্যাটোর পথেই হাঁটতে চলেছে।
এমনিতেই নিজিসপত্রের দামে আগুন। যার জেরে মধ্যবিত্তের পকেটে ছ্যাঁকা লাগছে। সাধারণ উৎসবের মরশুমের বাড়ির বদলে অনেকেই বাইরের খাবারই খান। অনলাইনে খাবার আনানোর ক্ষেত্রে অনেকে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে খাবার অর্ডার দেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থার মতে, এবার ওই গ্রাহকদের গুনতে হবে বাড়তি মাসুল। তবে এখনও পর্যন্ত অনলাইনে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে কোনও বাড়তি মাসুল নেওয়া হচ্ছে না।
যদিও অনলাইনে খাবার আনাতে গেলে দাম ছাড়াও দিতে হয় ডেলিভারি পার্টনার ফি, প্ল্যাটফর্ম ফি। নেওয়া হয় প্যাকেজিং চার্জেও। এর সঙ্গে জিএসটি-ও চাপে। কয়েক মাস আগেই সুইগি, জোম্যাটো প্ল্যাটফর্ম ফি বাড়িয়েছিল। বর্তমানে তা প্রতি অর্ডার পিছু ১৪.৯০ টাকা। সুইগিতে এই প্ল্যাটফর্ম ফি নেওয়া হয় ১৯.৫৮ টাকা। ফলে একটি অর্ডারের ক্ষেত্রে খরচ যে বেড়েছে, তা বলাই বাহুল্য। এবার ক্যাশ অন ডেলিভারিতে বাড়তি ফি চালু করায় গ্রাহকদের আরও খানিকটা খরচ বাড়ল।

Post a Comment

Previous Post Next Post