সরাসরি খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেন কুণাল। তিনি জাানান, এত বড় ঘটনার পরও সেখানে কোনও পুলিশ ছিল না। চন্দননগর কমিশনারেটের তরফেও যোগাযোগ করা হয়নি তাঁর সঙ্গে। ইমেলে তিনি ডিজিকে অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগ জানিয়েছেন উত্তরপাড়া থানাতেও। এর পর উত্তরপাড়া থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন কুণাল। জানান, রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবনে গিয়ে পুলিশকর্তাদের গাড়ি দেখাবেন তিনি।
কিন্তু ভবানী ভবনের সামনে পৌঁছলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি কুণালকে। সেখানে কুণাল এবং তাঁর গাড়ির চালকের সঙ্গে বচসা বাধে পুলিশের এক আধিকারিকের। গাড়ি থেকে নেমে তিনি একা ভবানী ভবনে যেতে পারেন বলে জানানো হয় তাঁকে। এর পর নেমে একাই ঢুকতে যান কুণাল। কিন্তু সেখানেও বাধা দেওয়া হয় কুণালকে। ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। কুণালকে ভিতরে ঢুকতে বাধা দেন আধিকারিকরা। সেই নিয়েও বচসা শুরু হয়। কুণাল বলেন, "কেন ঢুকতে দেবেন না? আমি তো গাড়ি দেখাতে এসেছি। নেমন্তন্ন তো খেতে আসিনি! একটা হামলা হয়েছে। পুলিশ ছিল না। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে। পাথর, ডিম, শাবল এনেছে। খুনের চেষ্টা হয়েছে।"
কুণালকে ভিতরে ঢুকতে না দেওয়া নিয়ে আধিকারিকদের বলতে শোনা যায়, "উপর থেকে কোন নির্দেশ নেই আপনার ঢোকার। অ্যালাও করা যাবে না।" পাল্টা কুণাল বলেন, "এটা কী করে হতে পারে? মার খাচ্ছি পুলিশ নেই, নালিশ শুনবে না পুলিশ। তাহলে বললেন কেন গাড়ি থেকে নেমে একা আসতে? ভবানী ভবন রাজ্য পুলিশের। যে কোনও অফিসারকে আমি তো জানাব! কথা বলব! একা এসেছি গাড়ি ছেড়ে। এখন বলছেন আমিও যেতে পারব না!"