এর পরই শুভেন্দুর প্রসঙ্গে চলে যান হুমায়ুন। নাম না করেই বলেন, "আবার এর বিরুদ্ধেও বলতে লাগবে। শুক্রবার করে নমাজ পড়ব আর বলব, এ যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়ে যায়, উপরওয়ালা যেন ওকে যেন টিকিট কাটিয়ে দেয়...এর এত অহঙ্কার। অহঙ্কারের পতন হবে। এঁকে একই ভাবে পৃথিবী ছেড়ে যেতে হবে।"
হুমায়ুনের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, "হুমায়ুন সাহেব যতই চান না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর কেশাগ্র পর্যন্ত কিছু হবে না। বাংলার মানুষের আশীর্বাদ মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে আছে।"
রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, "অসভ্য! অসভ্য! ওর বোধহয় মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটেছে। চিকিৎসা করানো উচিত বাডির লোকেদের। রাজনীতির ময়দানে এসব কথা আজ পর্যন্ত কেউ শুনেছে বলে জানি না। আমরা আবার প্রার্থনা করছি যে, আমাদের যে আয়ু আছে সকলের, অন্তত বয়োজ্যেষ্ঠদের, তা যেন আমাদের প্রিয় শুভেন্দু অধিকারী পেয়ে যান। উনি পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কাজ করুন।"
অতি সম্প্রতিই হুমায়ুনের বিরুদ্ধে বহরমপুর থানায় আর একটি অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। রেজিনগর থানার সামনে ধর্নায়ও বসে পড়েন। হুমায়ুনের বক্তব্য ছিল, 'যারা AJUP-কে ভোট দেবে বলছে, তাদের বলছে ভোট দিতে হবে না। তোলা সরে যা। আমরা ঠিকা নিয়েছি, ভোট লুঠ করব। এসব দালাল অফিসারদের অবিলম্বে চেয়ার থেকে সরিয়ে...রেজিনগর বিধানসভার মানুষ যাতে পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, তার ব্যবস্য়তা করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।" এবার শুভেন্দুকে নিয়ে মন্তব্যে অভিযোগ দায়ের হল হুমায়ুনের বিরুদ্ধে।