গত ১৯ অগস্ট সন্ধ্যায় গোলমাল বাধে ক্যাম্পাসে। পরে, মধ্যরাতে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে কার্যত তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়, প্রশ্ন ওঠে নিরাপত্তা নিয়ে। এর পরে দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে যাদবপুরে বামেদের প্রভাব ও রাষ্ট্র–বিরোধিতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ টানাপড়েন চলতে থাকে।সেই অশান্তির প্রেক্ষিতেই কড়া বিজ্ঞপ্তি বলে কর্তৃপক্ষ জানান।
রেজিস্ট্রার বলেন, ‘দূরদূরান্ত থেকে ছেলেমেয়েরা যাদবপুরে পড়তে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে সন্তানকে রেখে যান অভিভাবকরা। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই হবে। দিনভর বহিরাগতদের প্রবেশে কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসে ঢোকার সময়ে প্রত্যেককে সই করে সময় লিখতে হবে। ইমার্জেন্সি পরিস্থিতি ও বিশেষ অনুমতি ছাড়া রাত আটটার পরে ক্যাম্পাসে থাকা যাবে না।’ তবে ফেস্ট বা ছাত্রছাত্রীদের অন্যান্য অনুষ্ঠানে রাত ন’টা পর্যন্ত এই নিয়মে কিছু ছাড় মিলতে পারে।
ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা হস্টেলের আবাসিকরা কী করবেন? এক আধিকারিক জানান, মুক্ত চিন্তার পথ রুদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনা নেই। প্রয়োজনে বা হাঁটাহাঁটি করতে কেউ বেরোতেই পারেন। বিশেষ নজরদারি কমিটি এগুলি দেখবে। তবে কোথাও জমায়েত করা যাবে না। ছুটির দিনে ক্যাম্পাসে ঢুকতে হলেও বৈধ পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক। কিন্তু জনসাধারণের চলাচলের জন্য ক্যাম্পাস ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
রেজিস্ট্রার জানান, জাতীয় র্যাঙ্কিংয়ে এবং ন্যাক–মূল্যায়নে ‘পারসেপশনে’ (ভাবমূর্তি সম্পর্কে ধারণা বলা যায়) যাদবপুর নানা সময়ে কিছুটা নম্বর কম পেয়েছে। কতৃর্পক্ষের তরফে সেই ঘাটতিই মেটানোর চেষ্টা হচ্ছে।