সম্প্রতি নৈহাটির বড়মার মন্দিরের নতুন কমিটি গঠন হয়। সেই কমিটির হাত ধরে আবারও পুরনো রেওয়াজ ফিরছে। বসিয়ে ভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থায় বেশ কিছুদিন ছেদ পড়েছিল। ইরানে যুদ্ধের জেরে গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির জেরে চলতি বছরের শুরুর দিকে বসিয়ে প্রসাদ খাওয়ানো বন্ধ রাখা হয়েছিল। বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর থেকে তা আবারও চালু হলো।
বুধবার ২ সেপ্টেম্বর থেকে নৈহাটির বড়মা মন্দিরে ফের শুরু হয়েছে বসিয়ে ভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থা।
প্রতি সোম, বুধ ও শুক্রবার ভক্তদের বিনামূল্যে কুপনের মাধ্যমে বসিয়ে ভোগ খাওয়ানো হবে।
প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ভোগের কুপন সংগ্রহ করা যাবে।
একই দিনে শুরু হয়েছে ‘বড়মা নিঃশুল্ক চিকিৎসা কেন্দ্র’।
ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের জন্য একটি AC ও একটি সাধারণ অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
নতুন মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিনামূল্যে কুপনের মাধ্যমে ভোগ দেওয়া হবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কুপন সংগ্রহ করা যাবে। যতক্ষণ কুপন থাকবে, সেই অনুযায়ী দর্শনার্থীদের ভোগপ্রসাদ পরিবেশন করা হবে। প্রতি সোম, বুধ ও শুক্রবার মন্দিরে বসিয়ে ভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে। বাকি দিনগুলিতে মন্দিরের বাইরে হাতে হাতে ভোগ বিতরণ করা হবে।
ভোগপ্রসাদ বিতরণের পাশাপাশি এ দিন থেকেই শুরু হয়েছে ‘বড়মা নিঃশুল্ক চিকিৎসা কেন্দ্র’। মন্দিরে আসা মানুষজনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবার কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে কমিটি। শুধু ভোগ ও চিকিৎসা পরিষেবাতেই থেমে থাকতে চাইছে না বড়মা মন্দির কমিটি।
অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবারও পরিকল্পনা
ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের জন্য অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। একটি AC অ্যাম্বুল্যান্স এবং একটি সাধারণ অ্যাম্বুল্যান্স চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খুব সামান্য খরচের বিনিময়ে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজনে সাধারণ মানুষকে এই পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।