শুভেন্দুকে প্রতিশ্রুতি, ৫০ ফুটের গণেশ তৈরি করে চমক




ঘোলা: গত বছরই কথা দিয়েছিলেন, সরকার বদলালে গণেশের উচ্চতাও বদলাবে। তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সামনে করা সেই প্রতিশ্রুতি এ বার বাস্তবে রূপ পাচ্ছে ঘোলায়। ১২ বছরে পা দেওয়া গণেশ পুজোয় এ বার ৫০ ফুটেরও বেশি উচ্চতার গণেশমূর্তি তৈরি করে চমক দিতে চলেছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের দাবি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তো বটেই, গোটা রাজ্যের মধ্যেই এত বড় গণেশমূর্তি এই প্রথম।

ঘোলার সি-ব্লক সাহাপাড়ার শ্রীপল্লি অটোস্ট্যান্ডে ২০১৫ থেকে এই পুজোর আয়োজন করে আসছেন বিজেপি নেতা তথা দলের কলকাতা উত্তর শহরতলি জেলার মাইনরিটি মোর্চার সভাপতি সুজিত বড়ুয়া। ২০২২, ২০২৩ এবং ২০২৫ সালে এই পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সময়ের সঙ্গে পুজোর পরিধি বাড়লেও এ বারই আয়োজনের বহর সবচেয়ে বড়। মণ্ডপের সামনে থাকছে ৫০ ফুটের বেশি উচ্চতার বিশাল গণেশ। তাঁর পায়ের কাছে পাহাড়ি ঝর্ণার আদলে জল গড়িয়ে পড়বে। মণ্ডপের অন্দরসজ্জায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সবুজ রক্ষার বার্তা।মূল মণ্ডপে থাকছে ১২ ফুটের আমেরিকান ডায়মন্ডের গণেশ। মণ্ডপ জুড়ে থাকবে আরও ৩০টি গণেশের মূর্তি। থিমের নাম দেওয়া হয়েছে 'বিঘ্নহারিণী'। বিজেপি নেতা সুজিত বড়ুয়ার দাবি, 'বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মধ্যে ১১ বছর ধরে এই পুজো করেছি। আমি বিজেপি করি বলে এলাকার কেউ তৃণমূল আমলে পুজো মণ্ডপে আসার সাহস দেখাত না। শুভেন্দু অধিকারীকে কথা দিয়েছিলাম, সরকার পরিবর্তন হলে বড় করে গণেশ পুজো করব। মুখ্যমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।'

৩০ জন শিল্পী প্রায় দেড় মাস ধরে শিল্পী ইন্দ্রজিৎ পোদ্দারের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন। ইন্দ্রজিতের কথায়, 'প্রকৃতি কারখানায় তৈরি হয় না, যেমন রক্তও তৈরি করা যায় না। তাই জল ও গাছ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তাই থিমের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে।'

Post a Comment

Previous Post Next Post