পুজোর আগে SIR বাতিল ও ভোটচুরির অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নামে বিরোধীরা। একদিকে ককরোচ জনতা পার্টি, অন্য দিকে, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ বিরোধী ব্রিগেডের আক্রমণে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী। সেই সময়েই রাহুল বলেছিলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’
ইতিমধ্যেই আগামী ১ নভেম্বর ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধীরা। দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর পর্যন্ত মিছিল করে যাওয়ার কথা ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের। তার আগে আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়াতে চাইছেন তাঁরা। সেই নিয়েই মূলত এই দিন আলোচনা হবে বলে সূত্রের খবর।
এর আগে ১৩ অক্টোবর রাহুলের আমন্ত্রণে তাঁর বাড়িতে চা-চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিরোধী নেতা-নেত্রীরা। সেই বৈঠকেই ‘ভোটচুরির’ বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছে বিরোধী শিবির। কিন্তু আইনের পথে হাঁটার পাশাপাশি রাস্তাতেও আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে বিরোধীরা।